Logo

চট্টগ্রামে তীব্র লোডশেডিং, চরম দুর্ভোগে জনজীবন

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম
১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৬:৫৫
চট্টগ্রামে তীব্র লোডশেডিং, চরম দুর্ভোগে জনজীবন
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সংকট তীব্র আকার ধারণ করায় নগরজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় লোডশেডিং ২৫০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চট্টগ্রাম জোনের ১৫ এপ্রিলের তথ্যে দেখা যায়, বিদ্যুতের চাহিদা ১ হাজার ৩৮৪ থেকে ১ হাজার ৪৩২ মেগাওয়াটের মধ্যে ওঠানামা করলেও সরবরাহ তা পূরণ করতে পারছে না। ফলে গড়ে ২৫০ থেকে ২৮০ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে তা ফিরতে সময় লাগছে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত।

তথ্য অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় চাহিদা ছিল ১ হাজার ৩৮৪ মেগাওয়াট, যা সন্ধ্যা ৭টায় বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৪৩২ দশমিক ৭৩ মেগাওয়াটে। বিপরীতে সরবরাহ ছিল সকাল ১১টায় ১ হাজার ৯৫ দশমিক ৯৬ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ১ হাজার ৪৭০ মেগাওয়াট। এ হিসাবে দিনে গড়ে লোডশেডিং হয়েছে প্রায় ২৮১ দশমিক ৮২ মেগাওয়াট।

বিজ্ঞাপন

নগরীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে ৪০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর আবার আসছে, কখনো তারও বেশি সময় লাগছে।

চাঁন্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা রিনা আক্তার বলেন, গরমের মধ্যে শিশুদের ঘুম পাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় রাতে স্বস্তিতে থাকা যাচ্ছে না।

বহদ্দারহাট এলাকার চাকরিজীবী নুর নবী জানান, দিনের পরিশ্রম শেষে বাসায় ফিরেও বিশ্রাম মিলছে না। বিদ্যুৎ না থাকায় পরদিনের কাজেও প্রভাব পড়ছে।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম পিডিবির সুপারভাইজরি কন্ট্রোল অ্যান্ড ডাটা অ্যাকুইজিশন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফাহমিদা জামান বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে গ্যাসচালিত কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া এবং জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করেই লোডশেডিংয়ের মাত্রা ওঠানামা করছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD