পৃথক সড়কে এক সকালেই ঝরল ১১ জনের প্রাণ

একই সকালে দেশের তিন জেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাত্র আধা ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ১০ জন, আর কুমিল্লায় মোটরসাইকেল থেকে পড়ে মৃত্যু হয় এক শিশুর। রবিবার (৩ মে) সকালেই এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায়। ভোর ৬টার দিকে তেলিবাজার ব্রিজের পাশে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৮ নির্মাণ শ্রমিক নিহত হন।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রিয়াজুল কবির দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিজ্ঞাপন
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের মো. সুরুজ আলী (৬০), একই উপজেলার শেষস্তি গ্রামের মোছা. মুন্নি (৩৫), সিলেটের জালালাবাদ থানার লালারগাঁও এলাকার মো. বদরুল (৩০) এবং দিরাই উপজেলার নুরনগর এলাকার মো. ফরিদুল (৩৫)। বাকি চারজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত হয়নি।
এ ঘটনায় আরও অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের মো. আলমগীর (৩২), সিলেট নগরের তোরাব উল্লাহ (৬০), রামিন (৪০), আফরোজ মিয়া (৪০), সুনামগঞ্জের রাভু আক্তার (২৫), সিলেটের হাফিজা বেগম (৩০) ও দিরাইয়ের রাজা মিয়া (৪৫)।
বিজ্ঞাপন
এর মাত্র আধা ঘণ্টা আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হন। সকাল সাড়ে ৫টার দিকে নাচোল–আড্ডা সড়কের বেনীপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন জিসান (৩৫) ও সোহান (১৫)। তারা যথাক্রমে শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলার বাসিন্দা।
নাচোল থানার ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বিজ্ঞাপন
একই সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভার বানিয়াপাড়া এলাকায় আরেক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় শিশু মো. খালিদ হোসেন (৮)। বাবার মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানার ওসি মনিরুজ্জামান।








