Logo

রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বানচাল করতে মব করেছে কিছু ব্যক্তি

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৭ আগস্ট, ২০২৬, ১৮:০৪
রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বানচাল করতে মব করেছে কিছু ব্যক্তি
ছবি: সংগৃহীত

সরকারকে হেয়প্রতিপন্ন করতে একটি পক্ষ নানা কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যারা ক্ষমতার সুবিধা ভোগ করেছেন, ক্ষমতা হারানোর পর তারা এখন মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বানচাল করতে কিছু ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে বলেও অভিযোগ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যে ‘মব কালচার’ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, ওই ঘটনায় তারই প্রকাশ ঘটেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুদান প্রদান ও স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, রাজনৈতিক দল বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না; এটি ছিল দেশের সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অভ্যুত্থান।

বিজ্ঞাপন

জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের রাজনৈতিক দল গঠন এবং সাম্প্রতিক ঘটনার পর তাদের পক্ষ থেকে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই সময়ে কয়েক মিনিটের কোনো প্রদর্শনী বা তথ্যচিত্র দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তার দাবি, ওই অনুষ্ঠানের প্রদর্শনীতে কারও অবদান অস্বীকার করার উদ্দেশ্য ছিল না।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

ইশরাক হোসেন বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছেন, তারা তাদেরই সহযোদ্ধা। সবাই মিলে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। কারও অবদান অস্বীকার করার প্রশ্নই আসে না। তবে কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে হলে সভ্য ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত ছিল। তার অভিযোগ, সে পথে না গিয়ে পরিকল্পিতভাবে অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান শুরুর আগে তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সন্তান হারানো মা-বাবাদের কাছ থেকে তিনি নানা অভিযোগ শুনেছেন। এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেন, শহীদদের কবরের জন্য বরাদ্দ অর্থ আত্মসাতের মতো গুরুতর অভিযোগও তিনি শুনেছেন। তার দাবি, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের হেয় করার জন্য প্রয়োজনে একটি পক্ষ বাংলাদেশের মর্যাদা ও ভাবমূর্তিরও ক্ষতি করতে প্রস্তুত রয়েছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD