মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে ট্রাস্টি ও নির্বাহী কমিটির সদস্য হলেন ইশরাক

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি নতুনভাবে পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন এই কাঠামোয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনকে ট্রাস্টি বোর্ডের ট্রাস্টি ও নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৯ জুলাই) জারি করা সরকারি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন প্রশাসন-১ শাখার যুগ্ম-সচিব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বকাউল।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ৮(১) ধারা অনুযায়ী ট্রাস্টি বোর্ড এবং ১৩ ধারা অনুযায়ী নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন আদেশটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পুনর্গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানকে।
বিজ্ঞাপন
ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী, নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
অন্যদিকে, নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানকে। এই কমিটিতেও সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন মো. ফজলুর রহমান, মো. মনিরুল হক চৌধুরী, জয়নুল আবদিন ফারুক এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া ট্রাস্টের কার্যক্রমে সমন্বয় জোরদারে কয়েকজন পদাধিকারবলে সদস্য হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন অর্থ বিভাগের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
বিজ্ঞাপন
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নির্বাহী কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সরকারের এ পুনর্গঠনের মাধ্যমে ট্রাস্টের নীতিনির্ধারণ, প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণমূলক কর্মসূচি আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।








