Logo

তিন দশক পর বেদে পল্লীতে ঢাকার জেলা প্রশাসক

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ আগস্ট, ২০২৬, ১৮:৩৭
তিন দশক পর বেদে পল্লীতে ঢাকার জেলা প্রশাসক
ছবি: সংগৃহীত

প্রায় তিন দশক পর ঢাকার ধামরাই উপজেলার রূপনগরের বেদে পল্লীতে গিয়ে বাসিন্দাদের জীবনযাপন ও সমস্যার কথা শুনেছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় কুল্লা ইউনিয়নের ওই বেদে পল্লী পরিদর্শন করেন তিনি। সেখানে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের জীবনমান, প্রয়োজন ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন জেলা প্রশাসক।

পল্লীর ৬৩টি পরিবারের মধ্যে এ সময় শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ১২ জনকে ঢেউটিন দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেককে ৬ হাজার টাকা করে মোট ৭২ হাজার টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া ১১৩ জনের মধ্যে শাড়ি ও থ্রিপিস এবং ২০০ শিশুর মধ্যে খেলনা বিতরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

দীর্ঘদিন ধরে বেদে সম্প্রদায়ের মানুষ রূপনগরে বসবাস করলেও তাদের জীবনযাত্রা ও সমস্যাগুলো সরেজমিনে দেখার সুযোগ প্রশাসনের হয়নি বলে জানা গেছে। এবার জেলা প্রশাসক সরাসরি পল্লীতে গিয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের জন্য বিভিন্ন সহায়তার উদ্যোগ নেন।

বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে ৫ লাখ টাকার প্রকল্প নেওয়া, খাসজমি বরাদ্দ এবং ২৫টি সেলাই মেশিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সমাজের কোনো মানুষ যেন উন্নয়ন ও সরকারি সেবার বাইরে না থাকে, প্রশাসন সে লক্ষ্যেই কাজ করছে। পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের সন্তানদের শিক্ষা ও স্বাভাবিক বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

জেলা প্রশাসকের ধামরাই সফরে শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমও অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে ৫২টি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। একই সঙ্গে এ প্লাস পাওয়া ১৮৬ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

প্রাথমিক পর্যায়ের ৪২ শিক্ষার্থীর মধ্যে স্কুল ড্রেস, ব্যাগ ও জুতা বিতরণ করা হয়। উদ্যোক্তা ও আত্মকর্মীদের মধ্যে ঋণ বিতরণের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্পোর্টস ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী দেওয়া হয়।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্কুলে শিক্ষা উপকরণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে হুইলচেয়ার এবং তিনটি প্রতিবন্ধী স্কুলে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে ১৫ জন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গ্রাম পুলিশদের পোশাক ও সরঞ্জাম এবং আব্দুস সোবহান মডেল স্কুলের ৭০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD