Logo

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১৯:১০
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সফরের আমন্ত্রণ
ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। রোববার দুপুরে বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে রাষ্ট্রপতির এই রাষ্ট্রীয় সফর আয়োজনের আগ্রহ রয়েছে চীনের। একই সঙ্গে সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে অর্জিত বিভিন্ন অগ্রগতির বিষয়েও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত জানান, চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে বাণিজ্যিক চুক্তি এবং মোংলা এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করবে।

বিজ্ঞাপন

জবাবে চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান আনুমানিক ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশের স্থানীয় জনগণের জন্য প্রায় এক লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। এর মধ্যে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প, পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের কৌশলগত সংলাপ দ্রুত শুরু এবং প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ে ‘২+২’ কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সংলাপ চালুর উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে কাঁঠাল, আম ও পেয়ারা রপ্তানি শুরু, সৌরশক্তি, বৈদ্যুতিক যানবাহন সংযোজন কারখানা স্থাপন, চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়।

সাক্ষাতে চীনের রাষ্ট্রদূত গত এপ্রিল মাসে এলজিআরডি মন্ত্রী থাকাকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের চীন সফরের বিষয়টি স্মরণ করেন। ওই সফরে আইডিসিপিসির মন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ এবং মন্ত্রীর পিতার মাধ্যমে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে ১৯৮০ সালের আগস্টে পরিচয়পত্র পেশের দুর্লভ আলোকচিত্র ও ভিডিও হস্তান্তরের বিষয়েও তিনি উল্লেখ করেন এবং এ জন্য ধন্যবাদ জানান।

সাক্ষাতের শেষ পর্যায়ে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বহুমাত্রিক সহযোগিতা বাড়িয়ে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD