ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ লোডশেডিং, চার জোনে ছিল না বিদ্যুৎ ঘাটতি

দেশের ৯টি বিদ্যুৎ বিতরণ জোনে রবিবার সন্ধ্যার পিক আওয়ারে মোট ৪১৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। ওই সময় সবচেয়ে বেশি লোডশেডিং হয়েছে ময়মনসিংহ জোনে। তবে চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর—এই চার জোনে কোনো লোডশেডিং দেখানো হয়নি।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দেশের ৯টি জোনে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৩২৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে লোডশেডিং করা হয় ৪১৯ মেগাওয়াট। ফলে লোডশেডিং বাদ দিয়ে সরবরাহ ছিল প্রায় ১৫ হাজার ৯১০ মেগাওয়াট।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ওই সময় ময়মনসিংহ জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪০১ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়, যা ছিল জোনগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
বিজ্ঞাপন
সিলেট জোনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৪০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। সেখানে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ৭৪০ মেগাওয়াট।
এ ছাড়া ঢাকা জোনে ৬ হাজার ৩৫ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৭১ মেগাওয়াট, কুমিল্লায় ১ হাজার ৬০৫ মেগাওয়াটের বিপরীতে ৮ মেগাওয়াট এবং খুলনায় ১ হাজার ৮৭৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুর জোনে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার ওই সময়ে কোনো লোডশেডিং ছিল না। এ চার জোনে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল যথাক্রমে ১ হাজার ৫৮৯, ৪৯১, ১ হাজার ৫৬৬ এবং ১ হাজার ২৪ মেগাওয়াট।
বিজ্ঞাপন
অর্থাৎ, সন্ধ্যার পিক আওয়ারে দেশের মোট চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতির কারণে ৪১৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে।








