জনগণের আস্থা ছাড়া ক্ষমতায় থাকা সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল

ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হয়, জোর-জবরদস্তি বা দমন-পীড়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অতীতের নির্বাচনে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। তবে সর্বশেষ নির্বাচনে ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পেরেছেন। তিনি দাবি করেন, দেশের মানুষ বিএনপি ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রেখেই ভোট দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে মানুষের স্বাধীনতা সীমিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই পরিস্থিতি পেরিয়ে দেশ এখন নতুন বাস্তবতায় এগোচ্ছে। জনগণের সমর্থন ছাড়া কেবল ভয়ভীতি বা শক্তি প্রয়োগ করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ঘটনাগুলো স্মরণ রাখা জরুরি। মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের মতো ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়েই জাতি গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের পথে এগিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু প্রচলিত ডিগ্রিনির্ভর শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ উচ্চশিক্ষা অর্জনের পরও অনেক তরুণ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন না।
তিনি জানান, বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। সরকারের বয়স মাত্র তিন মাস হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের দাবির পর রুহিয়া ও ভূল্লীকে উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া মেডিকেল কলেজ স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলছে, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পরিত্যক্ত বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।








