প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৮ দিনে ২৮ পদক্ষেপ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে একে ‘অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। মঙ্গলবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব তথ্য জানান।
বিজ্ঞাপন
‘প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ’ শিরোনামে দেওয়া পোস্টে বলা হয়, এক মাস আগে জনগণের ভোটে সরকার গঠনের পর অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগকে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরা হয়।
পোস্টে সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধসহ বিভিন্ন খাতে নেওয়া ২৮টি পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সামাজিক সুরক্ষার অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় হাজারো পরিবারকে মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের সম্মানী প্রদান এবং ঈদ উপলক্ষে অসহায়দের জন্য সহায়তা বিতরণের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
কৃষি খাতে কৃষক কার্ড বিতরণ ও ক্ষুদ্র কৃষকদের ঋণ মওকুফের পরিকল্পনা, দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির মতো উদ্যোগের কথাও বলা হয়েছে।
প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে অফিস সময়ের শৃঙ্খলা জোরদার, ভিভিআইপি প্রটোকল কমানো, বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করা এবং সংসদ সদস্যদের কিছু বিশেষ সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
অর্থনৈতিক খাতে বাজার তদারকি জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ, শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিশ্চিত করা এবং বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
শিক্ষা খাতে পুনর্ভর্তি ফি বাতিল, ভর্তি প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন, বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা এবং শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদারের পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
স্বাস্থ্যখাতে ই-হেলথ কার্ড চালু ও বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, নারীদের নিরাপত্তা জোরদার এবং নারী পরিচালিত পরিবহন চালুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া রাষ্ট্রীয় ব্যয় সাশ্রয়, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা, বিমানবন্দর উন্নয়ন এবং কিছু ক্ষেত্রে বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগের বিষয়টিও পোস্টে তুলে ধরা হয়েছে।
পোস্টের শেষাংশে বলা হয়, সরকারের প্রথম ২৮ দিনের কার্যক্রম নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের উন্নয়ন ও নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গঠনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।








