বিশ্বকাপের আগে সাপ আতঙ্কে সুইজারল্যান্ডের ট্রেনিং ক্যাম্প

বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে অংশ নিতে গেলে সাধারণত দলগুলোর প্রধান মনোযোগ থাকে মাঠের খেলায়। প্রতিপক্ষকে হারানোর পরিকল্পনা, কৌশল নির্ধারণ এবং খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়েই ব্যস্ত থাকার কথা। তবে এবারের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড ফুটবল দলকে মাঠের প্রতিপক্ষের পাশাপাশি আরেকটি অস্বাভাবিক বিষয় নিয়েও সতর্ক থাকতে হচ্ছে। তাদের ট্রেনিং ক্যাম্পের আশপাশে রয়েছে সাপের ব্যাপক উপস্থিতি, যা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ডিয়েগো শহরে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দলের অনুশীলন কেন্দ্র। তবে এই কেন্দ্রের চারপাশের পরিবেশ নিয়ে সম্প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে তারা তাদের ‘প্রতিবেশীদের’ পরিচয় তুলে ধরেছে, আর সেই প্রতিবেশী হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ।
সুইজারল্যান্ড তাদের প্রতিনিধি দলের ব্যবহার করা ফ্যাসিলিটির একটি মানচিত্র প্রকাশ করার পর এই ব্যাপারে সতর্কঘণ্টা বেজেছে। ওই মানচিত্রে ট্রেনিং ফিল্ড, জিম ও লকার রুমকে চিহ্নিত করে তুলে ধরা হয়েছে। আর কমপ্লেক্সের পাশে বড় একটি এলাকা জুড়ে লাল মার্ক করে লেখা হয়েছে ‘সাপের এলাকা’। বাড়তি সতর্ক থাকতে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ সদস্যদের নোটিশ দিয়েছে দল।
বিজ্ঞাপন
গত শুক্রবার একটি পোস্ট দেয় তারা, যেখানে ক্যাপশনে লেখা, ‘সাপ থেকে সাবধান’।

সান ডিয়েগো অঞ্চলের এই এলাকায় নানান প্রজাতির সাপের বসবাস। শহরের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের তথ্য অনুযায়ী, এই কাউন্টিতে ডজনখানেক প্রজাতির সাপ রয়েছে। আর পথেঘাটে, আনাচেকানাচে দেখা মিলে বিষাক্ত র্যাটলস্নেকস।
বিজ্ঞাপন
গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ট্রেনিং সেন্টারেই থাকবে সুইজারল্যান্ড দল। শুধু সাপ নয়, তীব্র গরমের সঙ্গেও লড়তে হচ্ছে দলকে। তবে সাপের ব্যাপারটিই বেশি আলোচিত হচ্ছে। বিষাক্ত এই প্রাণীকে এড়িয়ে সুইজারল্যান্ড মাঠে কতটা পারদর্শিতা দেখাতে পারে, সেটাই দেখার অপেক্ষা।
আগামী ১৪ জুন ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে কাতারের মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড। এরপর তাদের বাকি দুটি গ্রুপ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বসনিয়া এবং কানাডার বিপক্ষে।








