Logo

হাইভোল্টেজ ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড

profile picture
ক্রীড়া ডেস্ক
১৬ জুলাই, ২০২৬, ০১:৩০
হাইভোল্টেজ ম্যাচে শুরু থেকেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে শুরু থেকেই উত্তেজনায় টইটম্বুর আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াই। প্রথম বাঁশি বাজার পর থেকেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কঠোর ট্যাকল ও বাকবিতণ্ডায় জমে উঠেছে ম্যাচ।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচের আগে ফকল্যান্ড যুদ্ধ কিংবা ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক কোয়ার্টার ফাইনালের আবহ মাঠে না টানার কথা জানিয়েছিল দুই দল। তবে মাঠের লড়াইয়ে সেই পুরোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার ছাপ যেন স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠেছে। মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আগ্রাসী ফুটবল খেলতে দেখা গেছে লিওনেল মেসি ও জুড বেলিংহ্যামদের।

সেমিফাইনালের শুরুতেই বোঝা যায়, এটি শুধু দুটি পরাশক্তির লড়াই নয়; প্রতিটি বলের দখল নিয়েই চলছে কঠিন সংগ্রাম। ম্যাচের প্রথম ১২ মিনিটেই একাধিক শক্ত ট্যাকল, উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত এবং দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথার লড়াই দেখা গেছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাথের প্রথম বাঁশির পর খেলা শুরু করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই প্রথম ফাউলের ঘটনা ঘটে। মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ে লড়াইয়ের সময় জুড বেলিংহ্যামকে ট্যাকল করেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এতে ম্যাচের প্রথম ফ্রি-কিক পায় ইংল্যান্ড।

এরপর পাল্টা আক্রমণে গেলে মেসির কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়ার পর ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে পেছন দিক থেকে ট্যাকল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বিজ্ঞাপন

প্রথম ১০ মিনিটে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে প্রাণবন্ত খেলোয়াড় ছিলেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। মাঝমাঠে একের পর এক বল পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি আক্রমণ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

১১তম মিনিটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের ভুল পাস কেটে নিয়ে দ্রুত বাম প্রান্তে অ্যান্থনি গর্ডনের উদ্দেশে দারুণ একটি থ্রু বল দেন অ্যান্ডারসন। গর্ডন বল নিয়ন্ত্রণে আনলেও তার ক্রস সহজেই ধরে ফেলেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

ম্যাচের শুরুর দিকে কোনো দলই পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি। বলের দখল ও মাঝমাঠের লড়াইয়ে সমানতালে এগিয়েছে দুই দল। ইংল্যান্ড একটি কর্নার পেলেও ডেক্লান রাইসের নেওয়া সেট-পিস থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও দ্রুত পাল্টা আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যায়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

১২তম মিনিটে আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ম্যাচ। এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ট্যাকল করার পর এনজো ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে সেই ঘটনায় যোগ দেন মর্গান রজার্স ও লিয়ান্দ্রো পারেদেসও।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন রেফারি ইসমাইল এলফাথ। তিনি খেলোয়াড়দের শান্ত করে আর্জেন্টিনার পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দেন। তবে এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায় ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেলকে।

বিজ্ঞাপন

প্রথম ১২ মিনিটে কোনো গোল না হলেও উত্তেজনার কমতি নেই এই সেমিফাইনালে। শক্ত ট্যাকল, শারীরিক লড়াই এবং মাঝমাঠের দখল নিয়ে দুই দলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, ফুটবল বিশ্ব হয়তো আরেকটি স্মরণীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের সাক্ষী হতে যাচ্ছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD