Logo

আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রথমার্ধে গোলশূন্য

profile picture
ক্রীড়া ডেস্ক
১৬ জুলাই, ২০২৬, ০১:৫৯
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, প্রথমার্ধে গোলশূন্য
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে গোল না হলেও উত্তেজনা, শক্ত ট্যাকল, হলুদ কার্ড এবং রোমাঞ্চে ভরপুর ছিল প্রথম ৪৫ মিনিট।

বিজ্ঞাপন

শুরু থেকেই দুই দল শারীরিক ফুটবলে মনোযোগ দেয়। দ্বিতীয় মিনিটেই জুড বেলিংহ্যামকে ফাউল করেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এরপর মেসি, বেলিংহ্যাম, এলিয়ট অ্যান্ডারসন ও এনজো ফার্নান্দেজকে ঘিরে মাঝমাঠে একাধিকবার উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

প্রথম ১০ মিনিটেই চারটি ফাউল করে আর্জেন্টিনা, যা চলতি বিশ্বকাপে কোনো দলের প্রথম ১০ মিনিটে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ফাউলের রেকর্ড।

প্রথমার্ধের বেশির ভাগ সময়ই দুই দল একে অপরকে মাঝমাঠে আটকে রাখে। ২০ মিনিট পার হওয়ার পরও উল্লেখযোগ্য কোনো শট দেখা যায়নি। ইংল্যান্ড তুলনামূলক গোছানো ফুটবল খেললেও অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে কার্যত নিষ্ক্রিয় রাখে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ। প্রথম ২৮ মিনিটে তার বল স্পর্শের সংখ্যা ছিল মাত্র চারবার, যা মাঠে থাকা সব খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন পুরো প্রথমার্ধজুড়ে লিওনেল মেসিকে কড়া নজরদারিতে রাখেন। একাধিকবার বল কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে শক্ত ট্যাকলেও থামান তিনি।

ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে কয়েকজনকে কাটিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় অ্যান্ডারসনের ট্যাকলে মাটিতে পড়ে যান মেসি। এ ঘটনায় দুই দলের খেলোয়াড়রা রেফারিকে ঘিরে ধরলে কিছু সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রেফারি ইসমাইল এলফাথ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অ্যান্ডারসনকে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখান।

বিজ্ঞাপন

৩২তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ইংল্যান্ড। ডেক্লান রাইসের নিখুঁত ক্রসে জন স্টোনসের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

এরপর ৩৯তম মিনিটে আর্জেন্টিনাও বড় সুযোগ তৈরি করে। মেসির দ্রুত নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে বল ফিরে আসে এনজো ফার্নান্দেজের কাছে। তার দূরপাল্লার জোরালো শট পোস্টের ওপর দিয়ে বাইরে চলে গেলে গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয়।

৪২তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে উঠতে থাকা মর্গান রজার্সকে ফাউল করে থামান লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। এই ফাউলের জন্য ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে হলুদ কার্ড দেখেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

গোলের দেখা না মিললেও প্রথমার্ধে দুই দলই দারুণ শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণভাগের প্রদর্শনী করেছে। তবে আক্রমণে শেষ মুহূর্তের নিখুঁত সমাপ্তির অভাব ছিল স্পষ্ট। রেফারি তিন মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করলেও সেই সময়েও জালের দেখা পায়নি কোনো দল।

ফলে বিরতিতে ০-০ সমতায় মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এখন দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোলই বদলে দিতে পারে ম্যাচের মোড় এবং নির্ধারণ করতে পারে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ কে হবে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD