৯০ মিনিটে লক্ষ্যে কোনো শট নেই, আর্জেন্টিনার হতাশার রেকর্ড

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার জন্য ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের নির্ধারিত ৯০ মিনিট ছিল কঠিন পরীক্ষার। স্পেনের বিপক্ষে পুরো সময়জুড়ে চাপে থাকা লিওনেল স্কালোনির দল গোল না খেলেও গড়েছে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড। বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে লক্ষ্যে একটিও শট রাখতে পারেনি আর্জেন্টিনা।
বিজ্ঞাপন
তবে দলের সবচেয়ে বড় ভরসা ছিলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। স্পেনের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে তিনি করেন ১০টি সেভ, যা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। অন্যদিকে ইনজুরি সময়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে ১০ জনের দল নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে খেলতে নামে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
পুরো ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষের গোলমুখে লক্ষ্যে একটি শটও নিতে পারেনি। বিপরীতে স্পেন ১০টি শট লক্ষ্যে রাখলেও সবকটিই রুখে দেন মার্টিনেজ। বল দখলেও ছিল স্প্যানিশদের স্পষ্ট আধিপত্য। নির্ধারিত সময় শেষে তাদের দখলে ছিল ৬৪ শতাংশ বল।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রথমার্ধেও ছিল স্পেনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। বিরতির আগে ৬৫ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখে তারা, যেখানে আর্জেন্টিনার ছিল মাত্র ৩৫ শতাংশ। পাসের সংখ্যাতেও ছিল বড় ব্যবধান। আর্জেন্টিনার ১৫৫টি সফল পাসের বিপরীতে স্পেন সম্পন্ন করে ৩১৩টি নিখুঁত পাস। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা কোনো শটই নিতে পারেনি, আর উনাই সিমন দুইবার দ্রুত বেরিয়ে এসে সম্ভাবনাময় আক্রমণ নষ্ট করেন। ফাইনাল থার্ডেও স্পেন প্রবেশ করে ৩৫ বার, যেখানে আর্জেন্টিনা পৌঁছাতে পারে মাত্র ১৮ বার।
১৯৬৬ সাল থেকে রেকর্ড সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথম ৭০ মিনিট পর্যন্ত লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে না পারা প্রথম দলও হয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এর আগে দীর্ঘতম অপেক্ষার রেকর্ড ছিল গত আসরের ফাইনালে ফ্রান্সের, যারা প্রথম লক্ষ্যে শট নিতে অপেক্ষা করেছিল ৬৮ মিনিট পর্যন্ত। এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েও তারা লক্ষ্যে কোনো শট নিতে পারেনি, উল্টো এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ডে ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে অতিরিক্ত সময়ে খেলতে নামে।








