ব্যর্থতাকে ভয় নয়, চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বিসিবি সভাপতি তামিম

জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রোববার রাতে পাঁচ তারকা একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ‘ডমেস্টিক থ্রি’ বা ‘ডি থ্রি’। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার কাঠামো ও পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তিন বছরের চুক্তিতে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে দলগুলোর স্বত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নতুন এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চাননি তামিম। তবে লক্ষ্য বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি।
তামিম বলেন, ‘এই একটা বিষয়ে আমি এবং আমার বোর্ড সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করি, আমরা চেষ্টা করতেই থাকবো। আমি জানি না সফল হবো কি না। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, আমি এবং আমার বোর্ড ব্যর্থতাকে ভয় পাই না।’
ব্যর্থতা এলেও সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুনভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করতেই থাকবো, করতেই থাকবো। ব্যর্থতা যদি হয়, সেটা থেকে শিখবো, আবার করতে থাকবো। এটাই আমার বোর্ড এবং আমার বোর্ড সদস্যদের মূলমন্ত্র।’
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রতি দর্শক ও সংশ্লিষ্টদের আগ্রহ ফিরিয়ে আনাকে ডি থ্রির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন তামিম। তার ভাষায়, ‘আমি নিশ্চিত, ধাপে ধাপে আপনারা সবাই অনেক কিছু জানতে পারবেন। অনেক কিছু আছে, কিছু চমকও আছে। কিন্তু এর মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশি ঘরোয়া ক্রিকেটে আবার সেই রঙ ফিরিয়ে আনা। এবং আমি বেশ নিশ্চিত, এই জায়গা থেকে আমরা এই বিষয়টা করতে পারবো।’
ডি থ্রির কাঠামোয় দলগুলোর খেলোয়াড় নির্বাচন ও ব্যবস্থাপনায়ও থাকছে একাধিক নতুন ব্যবস্থা। প্রতিটি দল তিন বছরের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থাকবে। এর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ খেলোয়াড় বদলি, খেলোয়াড় ছেড়ে দেওয়া এবং ছোট নিলামের মতো ব্যবস্থাও রাখা হবে বলে জানিয়েছেন তামিম।
ভবিষ্যতে এসব উদ্যোগ ঘরোয়া ক্রিকেটে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে আশা করছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা দলে যে নির্বাচন হবে, যে দলে তিনটা বছর করে এই দলের সঙ্গে থাকতে পারবে। এখানে অভ্যন্তরীণ খেলোয়াড় বদলি ব্যবস্থা থাকবে, খেলোয়াড় ছাড়ার ব্যবস্থা থাকবে, ছোট নিলাম থাকবে। আরও অনেক অনেক কিছু থাকবে। আমি নিশ্চিত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনারা সবকিছু জানতে পারবেন এবং আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে এটা অবশ্যই বাংলাদেশি ঘরোয়া ক্রিকেটকে বদলে দেবে।’








