বিতর্কিত ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জমজম ব্রাদার্সের একটি ব্যবসায়িক প্রকল্পের প্রচারমূলক ভিডিওতে অংশ নেওয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি। রিয়াদ জানিয়েছেন, প্রকল্পটি সম্পর্কে আগে থেকে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে তাঁর কোনো ব্যবসায়িক বা আর্থিক সম্পৃক্ততাও নেই।
বিজ্ঞাপন
বিতর্কের সূত্রপাত সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। সেখানে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের জাতীয় দলের এক সাবেক ক্রিকেটার ভানুয়াতুর নাগরিকত্বে বিনিয়োগের বিষয়টি প্রচার করছেন। এ ধরনের বিনিয়োগের অর্থ বিদেশে পাঠানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। পরিচিত একজন ক্রিকেটারের এমন প্রচারে যুক্ত থাকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ওই সাংবাদিক।
পোস্টটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এরপর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দেন মাহমুদউল্লাহ।
তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করতে চাই।’
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে রিয়াদ জানান, কিছুদিন আগে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জমজম ব্রাদার্সের সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচয় হয়। তাঁদের আমন্ত্রণে একদিন অফিসে গেলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
রিয়াদ লেখেন, ‘তাঁদের আমন্ত্রণে একদিন তাঁদের অফিসে গেলে, তাঁরা তাঁদের একটি নতুন ব্যবসায়িক প্রকল্পের বিষয়ে ভিডিও করার অনুরোধ জানান। তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে আমার আগে থেকে কোনো ধারণা ছিল না এবং এর সঙ্গে আমার কোনো ধরনের ব্যবসায়িক এবং অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই।’
বিষয়টি জানার পর তাঁর অনুরোধে জমজম ব্রাদার্স কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিজেদের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ভিডিওটি সরিয়ে নেয় বলেও জানান তিনি।
নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে মাহমুদউল্লাহ আরও লেখেন, ‘আমার পুরো ক্যারিয়ারে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে সব সময় বিতর্ক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে কিংবা কোনো ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।’
বিজ্ঞাপন
ভবিষ্যতে এ ধরনের বিষয়ে আরও সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি সবার ভালোবাসা, সমর্থন ও বোঝাপড়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।








