Logo

প্রশিক্ষণ ছাড়াই পশু চিকিৎসার অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে অফিস সহকারী

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
শেরপুর
৭ জুন, ২০২৬, ১৫:২২
প্রশিক্ষণ ছাড়াই পশু চিকিৎসার অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে অফিস সহকারী
ছবি: সংগৃহীত

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের অফিসের অফিস সহকারী মনিরুজ্জামান আঙ্গুরের বিরুদ্ধে সরকারি প্রশিক্ষণ ছাড়াই মাঠ পর্যায়ে গরু-ছাগলের চিকিৎসা প্রদান, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি ওষুধ বিক্রি এবং বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তিনি প্রায় ২১ বছর ধরে অফিস সহকারী পদে দায়িত্ব পালন করলেও সরকারি কোনো ভেটেরিনারি প্রশিক্ষণ বা চিকিৎসা সনদ ছাড়াই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে গরু-ছাগলের চিকিৎসা করে আসছেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রাণিসম্পদ অফিসের নাম ব্যবহার করে তিনি পশুপালকদের কাছ থেকে চিকিৎসা ও কল চার্জের নামে অর্থ আদায় করেন। অভিযোগ কারীরা দাবি করেন, গবাদি পশুর ডেলিভারি, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই তিনি তিন হাজার টাকা বা তারও বেশি অর্থ গ্রহণ করেন।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া সরকার থেকে বিনামূল্যে সরবরাহকৃত ওষুধ সাধারণ মানুষের কাছে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করা, স্থানীয় কিছু দালালকে সঙ্গে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলা এবং সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের নালিতাবাড়ীতে জমি ক্রয়, বিভিন্ন ডিপিএস পরিচালনা এবং আত্মীয়-স্বজনের নামে একাধিক যানবাহন কেনার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মনিরুজ্জামান আঙ্গুর বলেন, আমি প্রায় ২১ বছর ধরে অফিস সহকারী পদে চাকরি করছি। এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অফিসের বাইরে কলের মাধ্যমে গরু-ছাগলের চিকিৎসা দিয়ে থাকি। স্যার না যেতে পারলে সেখানে আমি যায়। এখন পর্যন্ত আমার চিকিৎসার কারণে কোনো গরু বা ছাগল মারা গেছে বলে অভিযোগ পাইনি।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, একজন ব্যক্তি যদি ছয় মাস থেকে এক বছরের প্রশিক্ষণ নিয়ে চিকিৎসা দিতে পারে, তাহলে আমি দীর্ঘ ২১ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে কেন চিকিৎসা দিতে পারবো না।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন সরকারি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো অফিস সহকারী কীভাবে মাঠ পর্যায়ে পশু চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো. আবু সাঈমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে সে বলেন, অফিসের প্রয়োজনে অনেক সময় বাহিরে গিয়ে থাকেন। তবে বাহিরে কাজের বিষয়ে আমার জানা নেই। আমি তার কাছে জেনে আপনাকে জানাচ্ছি।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD