সোনাইমুড়ীতে পুকুর সেচ নিয়ে সংঘর্ষ, উভয় পক্ষের মামলা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় একটি যৌথ মালিকানাধীন পুকুরে পানি সেচ দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করেছে।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, উপজেলার কৌশল্যারবাগ গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি যৌথ পুকুরে গত ১৭ এপ্রিল রাতে পানি সেচ দেওয়ার উদ্যোগ নেন অংশীদাররা। রাত প্রায় ৯টার দিকে সেচ মেশিন স্থাপনের সময় বিষয়টি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় আব্দুল মান্নানের ছেলে জসীম উদ্দিন সোহাগ ও জহির সেচ কার্যক্রমে বাধা দেন।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষ বাধে। এতে আনোয়ার হোসেন ফারুকের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম সুমন (৩০) আহত হন। তাকে উদ্ধার করতে গেলে তাদের মা কামরুল নাহার (৬০)ও আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আরও পড়ুন: কাপাসিয়ায় বেড়েই চলছে চুরি-ডাকাতি
বিজ্ঞাপন
ঘটনার পরদিন ১৮ এপ্রিল আনোয়ার হোসেন ফারুক বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
অন্যদিকে, অভিযোগ রয়েছে যে মামলার অন্যতম আসামি জসীম উদ্দিন গত ২ জুন জামিনে মুক্ত হওয়ার পর মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয় এবং এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জসীম উদ্দিনও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নোয়াখালী আদালতে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন।
আনোয়ার হোসেন ফারুক দাবি করেন, সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে তার ভাই ও মায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি একটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাদের সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, এলাকায় সংঘটিত ঘটনাগুলোর বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উভয় পক্ষের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, দায়ের করা দুটি মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








