Logo

জুমার খুতবা ও ইমামতি করে প্রসংশায় ভাসছেন কুতুবদিয়ার ইউএনও

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজার
২০ জুন, ২০২৬, ২১:৪৩
জুমার খুতবা ও ইমামতি করে প্রসংশায় ভাসছেন কুতুবদিয়ার ইউএনও
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার নবনিযুক্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মিজানুর রহমানের একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। তিনি একটি মসজিদে জুমার খুতবা প্রদান করার পাশাপাশি নামাজে ইমামতি করেন, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৯ জুন) উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের সংলগ্ন একটি মসজিদে অনুষ্ঠিত জুমার জামাতে তিনি অংশ নেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নামাজে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন এবং ইউএনওর অংশগ্রহণকে তারা আগ্রহের সঙ্গে গ্রহণ করেন।

জানা গেছে, খুতবার সময় মো. মিজানুর রহমান ইসলামের মৌলিক আদর্শ, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক সম্প্রীতির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন

খুতবা শেষে তিনি জুমার নামাজে ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। উপস্থিত মুসল্লিরা তার নেতৃত্বে নামাজ আদায় করেন। বিষয়টি এলাকায় দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতে, প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার এমন সামাজিক ও ধর্মীয় সম্পৃক্ততা সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমাতে সহায়ক হতে পারে। তারা মনে করেন, জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও অংশগ্রহণমূলক কর্মকাণ্ড প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এ ধরনের অংশগ্রহণ স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে মানুষের মধ্যে প্রশাসনের প্রতি আন্তরিকতা ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, এর আগেও ঈদুল আজহার সময় ইউএনও মো. মিজানুর রহমান উপজেলার মানুষকে একত্রিত করে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। সেই উদ্যোগও স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত হয়েছিল।

এলাকাবাসীর মতে, প্রশাসনের কর্মকর্তারা যখন জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন, তখন জনগণ তাদের আরও কাছের মানুষ হিসেবে দেখতে শুরু করে। ফলে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পায় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD