মির্জাপুরে নারীসহ একাধিক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বিভাষ সরকার নূপুরের বিরুদ্ধে এক নারী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
এ ঘটনার একটি ৫১ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৭ জুন উপজেলার তেঘরী কেশব গ্রামে পৈতৃক জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: গোসলে নেমে একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু
বিজ্ঞাপন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নূপুর হাতে একটি লাঠি নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে সেখানে থাকা এক নারীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার পর কয়েকজনকে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায়।
ভুক্তভোগী বাসন্তী রানী অভিযোগ করেন, রাস্তা নির্মাণের অজুহাতে তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছিল। এতে বাধা দিলে চেয়ারম্যান তাঁকে, তাঁর স্বামী এবং মেয়েকে মারধর করেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, ওই পরিবারকে এর আগেও বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান বিভাষ সরকার নূপুর বলেন, ওই নারী রাস্তা নির্মাণে বাধা দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, উপেন্দ্র নামের এক ব্যক্তির চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তা নির্মাণের সময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তিনি 'কঞ্চি' দিয়ে আঘাত করেছেন।
মহেড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা উচিত ছিল।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খান সালমান হাবীব বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








