বাঁশখালীতে বন্যার পানি নামলেও কাটেনি মানুষের দুর্ভোগ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ কাটেনি। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে রয়েছে। উপজেলায় ৯ দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ১ লক্ষ মানুষ পানিবন্দি ছিল।
বিজ্ঞাপন
এতে ঘরবাড়ি, সড়ক, কৃষি, মৎস্য ও বেড়িবাঁধসহ প্রধান সাতটি খাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে অন্তত প্রায় ২০০ কোটি টাকা। উপজেলা প্রশাসনের করা প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে বাঁশখালীর বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং এর আগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ত্রাণ বিতরণকালে মন্ত্রীরা ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও সহায়তার সর্বোচ্চ আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও বাঁশখালীর দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিকট এই ক্ষয়ক্ষতির তালিকা হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বাঁশখালীতে ৪ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত ৯ দিন মুষলধারে বৃষ্টি হয়। এর সঙ্গে পাহাড়ি ঢল যুক্ত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দেয়। বেশ কয়েকটি স্পটে পাহাড় ধসের ঘটনাও ঘটে। ১২ জুলাইয়ের পর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখনো অনেক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন








