সাভারে এসআই নিয়ামত উল্লার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ

সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিয়ামত উল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা এবং সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
থানা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাভার এলাকায় মাদকবিরোধী একাধিক অভিযানে অংশ নিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেন এসআই নিয়ামত উল্লা। বিশেষ করে শীর্ষ মাদক কারবারি শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এরপর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার শুরু করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সূত্রটির দাবি, অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার কারণে কিছু চিহ্নিত অপরাধী, মাদক কারবারি ও সুবিধাবঞ্চিত গোষ্ঠী ক্ষুব্ধ হয়ে এসআই নিয়ামত উল্লার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবেই বিভিন্ন মাধ্যমে অসত্য ও মনগড়া তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে এসআই নিয়ামত উল্লা বলেন, তিনি সবসময় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করায় একটি কুচক্রী মহল তাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি প্রচারিত একটি ভিডিওর বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি জানান, তার মাত্র ১৫ সেকেন্ডের একটি অসম্পূর্ণ বক্তব্য কেটে প্রচার করা হয়েছে, যা প্রকৃত ঘটনার প্রতিফলন নয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শামীম রেজাসহ অন্যান্য আসামিকে গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছিল। পরবর্তী তদন্ত শেষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী সেগুলো আসামিদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
বিজ্ঞাপন
এসআই নিয়ামত উল্লা আরও বলেন, আমি সম্মানিত সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানাই, কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে অবশ্যই তথ্যের সত্যতা যাচাই করবেন। যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার হলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি হতে পারে।
এদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাভার মডেল থানার সহকর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। সচেতন মহলের অভিমত, সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের নিরুৎসাহিত করতেই পরিকল্পিতভাবে এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, আমি এই থানায় সদ্য যোগদান করেছি। তবে এ বিষয়ে যেই দোষী হোক তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








