Logo

২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্তি পেলেন মাহদী হাসানসহ তিনজন

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
হবিগঞ্জ
১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১৬:২৫
২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্তি পেলেন মাহদী হাসানসহ তিনজন
ছবি: সংগৃহীত

আটকের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় মুক্তি পেয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ২টার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

মুক্তি পাওয়া অপর দুজন হলেন—নুর হোসেনের ছেলে রাকিব আহমেদ রাজু এবং দক্ষিণ শ্যামলী এলাকার আব্দুল হামিদের ছেলে মির্জা সুমন। এর আগে সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।

জানা যায়, অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস সংকট নিরসন এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। ওই কর্মসূচিতে অংশ নিতে মাহদী হাসানসহ অন্যরা কোর্ট মসজিদ এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই তাদের আটক করা হয় বলে দাবি করেছেন মাহদী হাসান।

মুক্তির পর মাহদী হাসান অভিযোগ করে বলেন, সোমবার বিকেলে কোর্ট মসজিদ প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা। এ সময় পুলিশ তাদের সেখান থেকে তুলে নিয়ে যায়। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগের কথা জানানো হয়নি এবং কী কারণে তাদের আটক করা হয়েছে, সে বিষয়েও পুলিশ তাদের কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মাহদী হাসান আরও বলেন, সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের দুর্ভোগ ও বিভিন্ন সংকটের প্রতিবাদ জানাতেই তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু কর্মসূচি শুরুর আগেই তাদের আটক করা হয়।

তিনি বলেন, নাগরিকদের নিত্যদিনের ভোগান্তি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মতো বিষয় নিয়ে প্রতিবাদ করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনা তাদের ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আটকের পর প্রায় ২১ ঘণ্টা থানায় থাকার পর মঙ্গলবার দুপুরে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে কী কারণে তাদের এত সময় থানায় রাখা হয়েছিল, সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মুচলেকায় মুক্তির পর মাহদী হাসানসহ তিনজন পরিবারের কাছে ফিরে যান। তাদের আটকের ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD