তেলীগ্রাম বাজারের ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা দিলেন বুলবুল

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ৪ নম্বর বালিয়ান ইউনিয়নের তেলীগ্রাম বাজারে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে লিখিত প্রতিবাদ ও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা দিয়েছেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ফুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাবে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে বুলবুল দাবি করেন, গত ২৫ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তেলীগ্রাম বাজারে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হয়ে তাঁকে লাঞ্ছিত করেন। পরে ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁর।
বুলবুলের দাবি, বর্তমান সংসদ সদস্য মোহা. কামরুল হাসানের বাড়ি ও তাঁর বাড়ি একই বাড়ি-গোষ্ঠীর হওয়ায় পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে একটি পক্ষের সঙ্গে তাঁর বিরোধ রয়েছে। এছাড়া গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় ওই সময় থেকেই তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয় বলে জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে বুলবুল আরও বলেন, সম্প্রতি লক্ষ্মীপুর থেকে তেলীগ্রাম বাজার পর্যন্ত সড়ক মেরামতের কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে তিনি ঠিকাদারকে কাজের মান ঠিক রাখার জন্য অনুরোধ করেন। তাঁর অভিযোগ, এরপরও নিম্নমানের কাজ অব্যাহত থাকলে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বুলবুলের ভাষ্য, ওই ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে তাঁকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তেলীগ্রাম বাজারে একটি মব তৈরি করা হয়। পরিস্থিতি একপর্যায়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠলে নিজের নিরাপত্তা ও মান-সম্মান রক্ষার জন্য তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করতে বাধ্য হন। তবে বাস্তবে তিনি কোনো টাকা নেননি বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, “টাকা নেওয়ার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবির কারণে তাঁর সামাজিক মর্যাদা ও মান-সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে দাবি করে তিনি এসব ভিডিও ও ছবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, এ ঘটনায় অলি উল্লাহ বলেন, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) করেন এবং কোনো গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তাঁর দাবি, বিএনপিতে চাঁদাবাজির কোনো স্থান নেই। চাঁদাবাজির ঘটনা শুনেই তিনি এর প্রতিবাদ করেছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সড়ক মেরামতকাজের ঠিকাদার মো. ফরহাদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ঘটনাটি নিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলেও অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।








