Logo

জিয়াউলের মামলায় দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন তদন্ত কর্মকর্তা

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩০
জিয়াউলের মামলায় দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দেবেন তদন্ত কর্মকর্তা
ছবি: সংগৃহীত

শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো জবানবন্দি দেবেন মামলার মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার অসম্পন্ন জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সেদিন তিনি আংশিক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দির বাকি অংশ গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনাল ৪ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেন।

তদন্ত কর্মকর্তা তার জবানবন্দিতে মামলার তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য তুলে ধরবেন। তদন্তের সময় তিনি কোন কোন স্থানে গিয়েছেন, কী ধরনের তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সংগ্রহ করেছেন এবং এসব উপকরণ মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত—সেসব বিষয়ও তুলে ধরার কথা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানিয়েছেন, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও আসামিপক্ষের জেরা শেষ হলে জিয়াউলের পক্ষ থেকে সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এরপর মামলায় যুক্তিতর্কের ধাপ শুরু হবে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর মামলায় সাক্ষ্য দেন কামরুল ইসলাম। তদন্ত চলাকালে বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা আলামতসংক্রান্ত তথ্য তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে উপস্থাপন করেন। একই দিনে মামলার ১৩তম সাক্ষী র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরাও শেষ হয়। তিনি মামলার সর্বশেষ চাক্ষুষ সাক্ষী ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যার কথা বলা হয়েছে।

দ্বিতীয় অভিযোগের সময়কাল ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল। এ সময় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালসংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ জনকে হত্যার কথা বলা হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, একই সময়কালে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলার সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনকে হত্যা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এ মামলায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। এর আগে ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় এবং একই দিনে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD