মৌলভীবাজারে টিকটকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে যুবক আটক

মৌলভীবাজারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও কটূক্তির অভিযোগে মামুন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর তৈরি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার গিয়াসনগর ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামে মামুনের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও একই ঘটনার কথা উঠে এসেছে।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই যুবকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে টিকটকে গালিগালাজের অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, গত দুই দিন ধরে মামুন টিকটকে বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
বিজ্ঞাপন
পরে শুক্রবার রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামুনকে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে গিয়াসনগর বাজার এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
স্থানীয়দের কাছে ‘টিকটকার মামুন’ নামে পরিচিত ওই যুবক শাহপুর গ্রামের নিজাম মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মারামারির একটি মামলা রয়েছে বলেও স্থানীয় একটি সূত্র দাবি করেছে।
বিজ্ঞাপন
জেলা যুবদলের সহসভাপতি জিল্লুর রহমান বলেন, মামুনের টিকটক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে গালিগালাজের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশকে জানালে পুলিশ তাকে আটক করে। তাঁর ভাষ্য, মামুন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
গিয়াসনগর ইউনিয়নের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা মীর শামীম আহমেদ বলেন, গত দুই দিন ধরে ওই যুবক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে টিকটকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে আসছিলেন। তাঁর ধারণা, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনার পেছনে কোনো চক্র জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায় চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।








