নিউমার্কেটের ফুটপাত-সড়কে আর বসতে পারবেন না হকাররা

চট্টগ্রাম নগরের নিউমার্কেট থেকে কোতোয়ালি পর্যন্ত সড়কের ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে বসানো হকার ও অবৈধ দোকান উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)। একই সঙ্গে চউক ভবন ও সংস্থাটির পরিচালিত নিউমার্কেট বিপণি বিতানসংলগ্ন ফুটপাত ও সড়ক হকারমুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন চউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে হকারদের নিজ নিজ দোকানপাট ও মালামাল সরিয়ে নিতে বলা হয়। তবে তারা নির্দেশনা অনুযায়ী মালামাল না সরানোয় বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে চউক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অভিযানের খবর পেয়ে অনেক হকার প্লাস্টিক ও কাপড় দিয়ে মালামাল ঢেকে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যান।
অভিযান শেষে চউক চেয়ারম্যান নিউমার্কেট বিপণি বিতান বণিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এতে ফুটপাত ও সড়ক দখল করে দোকান বসানোর কারণে জনদুর্ভোগ, পথচারীদের চলাচলে বাধা এবং যানজট সৃষ্টির বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বৈঠক শেষে চেয়ারম্যান আবারও এলাকা পরিদর্শনে গেলে দেখতে পান, হকাররা পুনরায় দোকান বসানোর চেষ্টা করছেন। পরে তার নির্দেশনায় তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
চউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, চউক ভবন ও বিপণি বিতানসংলগ্ন ফুটপাত এবং সড়কে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা দখল করে ব্যবসা করার সুযোগ নেই। জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে এসব এলাকা দখলমুক্ত রাখা হবে।
বিজ্ঞাপন
তবে হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়টি মানবিক ও সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে চউক চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সমন্বয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বেলায়েত হোসেন আরও জানান, হকার নেতারা আগামীকাল থেকে এসব এলাকায় আর না বসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তারা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে আবারও ফুটপাত বা সড়ক দখল করে দোকান বসালে চউকের ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে চউকের প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এ এম হাবিবুর রহমান ও মোহাং মনজুর হাসান, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজীন, সচিব নূর-ই-জান্নাত রুমিসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








