ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর রাজাপুরের যুবদল নেতা বহিষ্কার

ঝালকাঠির রাজাপুরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাবির আল রাসেলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জাবির আল রাসেলকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির সিদ্ধান্তে এ বহিষ্কার কার্যকর হয়।
কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজাপুর উপজেলার মনোহরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাবির আল রাসেল ও কামাল হোসেন নয়ন নামে দুজনকে ২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মনোহরপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজাপুর থানায় মামলা করা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তার জাবির আল রাসেল রাজাপুর উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুল হাওলাদারের ছেলে। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। অপর গ্রেপ্তার কামাল হোসেন নয়ন উপজেলার মনোহরপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল শুক্কুর হাওলাদারের ছেলে।
বিজ্ঞাপন
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
ঝালকাঠি জেলা যুবদলের সদস্য আনিচুর রহমান খান বলেন, দলের কমিটিতে থেকে মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে গ্রেপ্তারের পর কেন্দ্রীয় যুবদলের সিদ্ধান্তে রাসেলকে বহিষ্কার করায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।








