২২৬ শিক্ষার্থীকে ৩০ লাখ টাকার বৃত্তি দিচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জেলার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ২২৬ শিক্ষার্থীকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার শিক্ষা বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আগামী মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে জেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বৃত্তির অর্থ বিতরণ করবেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের আর্থিক সংকটের কারণে পড়াশোনা যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই এ বৃত্তি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বাছাই কমিটির সভায় আবেদন যাচাই-বাছাই করে যোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করার সুপারিশ করা হয়। গত ৪ আগস্ট জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন আরাফাত।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বাছাই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, কলেজ পর্যায়ে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোট ২৭১টি আবেদন পাওয়া যায়। এর মধ্যে ২০২৪ সালে এসএসসি পাস করা ১০১ জন এবং ২০২৫ সালে পাস করা ৫২ জনসহ মোট ১৫৩ জনকে বৃত্তির জন্য যোগ্য বিবেচনা করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্নাতক বা সমমান পর্যায়ে ৩৫ জন এবং স্নাতকোত্তর বা সমমান পর্যায়ে ৩৮ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে তিন পর্যায়ে ২২৬ জনের জন্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
প্রস্তাব অনুযায়ী, কলেজ পর্যায়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থী ১২ হাজার টাকা, স্নাতক বা সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থী ১৪ হাজার টাকা এবং স্নাতকোত্তর বা সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থী ১৬ হাজার টাকা করে পাবেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দেবে। উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ, উচ্চশিক্ষায় উৎসাহ প্রদান এবং যোগ্য মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষার বিস্তার, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান জেলা পরিষদের প্রশাসক।








