Logo

১৫ দিনের ব্যবধানে ফকির লালন সাঁইয়ের দানবাক্সে মিলল ৮ লাখ টাকা

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া
২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১৭:১৬
১৫ দিনের ব্যবধানে ফকির লালন সাঁইয়ের দানবাক্সে মিলল ৮ লাখ টাকা
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দুটি দানবাক্স খুলে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে আবারও দানবাক্স খুলে এই অর্থ পাওয়া গেল। সংগৃহীত টাকা লালন একাডেমির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে লালন একাডেমি প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দানবাক্স দুটির সিলগালা খোলা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. জাকির হোসেন, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ফকির লালন শাহের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে লাখো ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছিল। উৎসব শেষ হওয়ার সাত দিন পর সর্বসমক্ষে দানবাক্স দুটি খুলে অর্থ গণনা করা হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ১০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে আখড়াবাড়ির দানবাক্স খুলে অর্থ গণনা করা হয়। ওই সময় দুটি দানবাক্স থেকে ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। পরে সেই অর্থ লালন একাডেমির নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাইসুল ইসলাম বলেন, “ফকির লালন শাহের দুটি প্রধান বার্ষিক উৎসবকে কেন্দ্র করে বছরে সাধারণত চারবার মাজারের দানবাক্স খোলা হয়। তিরোধান দিবস পরবর্তী ধারাবাহিকতায় আজ দানবাক্স খুলে ৮ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা পাওয়া গেছে। সংগৃহীত সব টাকা আজই লালন একাডেমির নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা করা হচ্ছে।”

দুই দফায় দানবাক্স খুলে পাওয়া অর্থের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে। গত ১০ অক্টোবরের তুলনায় এবার ১ লাখ ৭৮ হাজার ১০২ টাকা বেশি পাওয়া গেছে। তিরোধান দিবস উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থীর আগমনকে কেন্দ্র করে দানবাক্সে অর্থের পরিমাণ বেড়েছে বলে ধারণা করা যেতে পারে।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD