Logo

বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজার
৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭:৩৭
বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে। নানা প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর তিনটি জাহাজ পর্যায়ক্রমে দ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হবে পর্যটকদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণ।

বিজ্ঞাপন

যাত্রার জন্য প্রস্তুত থাকা জাহাজ তিনটি হলো এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও বিভিন্ন জটিলতায় এতদিন জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়নি। সরকারি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অনুমোদন পাওয়ার পর কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজগুলো যাত্রা শুরু করবে বলে জানিয়েছেন সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।

তিনি জানান, পর্যটকের সংখ্যা যাই হোক, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জাহাজ চলাচল শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন পাওয়া তিনটি জাহাজের মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার ধারণক্ষমতা ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলির ৭৩২ জন এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্টদের দেওয়া সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে যাত্রা করবে এবং বিকেল ২টা ৩০ মিনিটে সেন্টমার্টিন ঘাট থেকে ফিরবে। এমভি কর্ণফুলি সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ফিরবে। অন্যদিকে এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যাত্রা করে বিকেল সাড়ে ৩টায় সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে।

বিজ্ঞাপন

সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সাড়ে চার মাস পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের পাশাপাশি রাতেও অবস্থান করতে পারবেন। দ্বীপে প্রবেশের জন্য প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। আগের নিয়ম অনুযায়ী ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট সংগ্রহ করেই ভ্রমণ করতে হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি পাবেন।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধও বহাল রয়েছে। রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ। একইভাবে কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ কিংবা কেনাবেচাও করা যাবে না।

এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিসাধন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইকের মতো যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD