দায়িত্বের অধ্যায় শেষ, রাকসুর দপ্তর ছাড়লেন জিএস আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালনের অধ্যায় শেষ করে দপ্তর ছেড়েছেন সালাহউদ্দিন আম্মার। কোষাধ্যক্ষের চিঠিতে দায়িত্ব শেষ হওয়ার আট দিন পর বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দপ্তর ছাড়েন। এ সময় রাকসুর চাবি ও আসবাবপত্র হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার রাত ৮টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে দপ্তর ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সালাহউদ্দিন আম্মার। দায়িত্ব পালনকালে পাশে থাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি নিজের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমাও চান তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ফেসবুক পোস্টে আম্মার লেখেন, ‘প্রিয় রাবিয়ানরা! আপনারা আমার মতো নগন্য মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে এই সম্মান দিয়েছিলেন। আমি আপনাদের জন্য নিজের সামর্থ্য, সময়,শ্রম দিয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। অনেক ভুল করেছি, সেগুলোর জন্য আপনাদের নিকট আন্তরিক ক্ষমাপ্রার্থী। আমি আপনাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আমাকে আপনারা একটা নতুন জীবন দিয়েছেন। আপনারা আমাকে নির্বাচিত না করলে হয়তোবা নীরবে নিভৃতে হারিয়ে যেতাম কচুরিপানার মতো।’
দপ্তর ছাড়ার শেষ দিনটির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, ‘প্রশাসনের চিঠি অনুযায়ী আজ ৪ নভেম্বর রাকসুর চাবি এবং আসবাবপত্র হস্তান্তরের কথা। আলহামদুলিল্লাহ বড় একটা দায়িত্ব থেকে মুক্ত আমি। শেষ সময়টা ভাগ করে নিলাম আমার এক বছরের সঙ্গী রাকসুর কর্মকর্তা-কর্মচারী ভাইদের সঙ্গে। সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন। এখন থেকেই পরবর্তী রাকসুর লড়াই এবং বিগত ৯ দফা আন্দোলনের লড়াই চলবে রাবি সংস্কার আন্দোলন প্লাটফর্মে।’
বিজ্ঞাপন
দপ্তরের দায়িত্ব ছাড়লেও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন সাবেক এই জিএস। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এ প্রসঙ্গে আম্মার লেখেন, ‘আমি এখান থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাবো আর শিক্ষার্থী ভাই-বোনেরা ইমার্জেন্সি যে কোনো সমস্যায় আমাকে স্মরণ করবেন। শিক্ষার্থীদের ফাইন্যান্সিয়াল ব্যাপারগুলো ইনশাআল্লাহ নভোকালচার প্লাটফর্মে সলভ করার চেষ্টা করবো।’
দায়িত্ব ছাড়ার পরও রাকসুর পরবর্তী নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার আন্দোলনে সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন সালাহউদ্দিন আম্মার। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রয়োজনে পাশে থাকা এবং আর্থিক সমস্যার সমাধানে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।








