Logo

বিকৃত এআই ভিডিও নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন মৃণাল ঠাকুর

profile picture
বিনোদন ডেস্ক
৪ আগস্ট, ২০২৬, ১৪:২২
বিকৃত এআই ভিডিও নিয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন মৃণাল ঠাকুর
ছবি: সংগৃহীত

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ডিপফেক বা বিকৃত ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পরিচয়ের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ভারতীয় অভিনেত্রী মৃণাল ঠাকুর। নিজের অনুমতি ছাড়া তার ছবি, অবয়ব কিংবা পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ধরনের ভুয়া কনটেন্ট তৈরি বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে অভিনেত্রী এ বার্তা দেন। যদিও তিনি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার কথা উল্লেখ করেননি, তবে পোস্টটিকে ডিপফেক কনটেন্ট নির্মাতা ও প্রচারকারীদের উদ্দেশে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মৃণাল ঠাকুর লিখেছেন, তার অবয়ব বা পরিচয় ব্যবহার করে ডিপফেক কনটেন্ট তৈরি কিংবা শেয়ার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও জানান, এই ঘোষণাকে অবিলম্বে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে তার পরিচয়ের অপব্যবহার অব্যাহত থাকলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সাম্প্রতিক সময়ে এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন তারকার ছবি ও ভিডিও বিকৃত করার ঘটনা বেড়েছে। এ কারণে ভারতের বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকাই নিজেদের পরিচয় ও ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।

ইতোমধ্যে অক্ষয় কুমার, বরুণ ধাওয়ান, অনিল কাপুর, শিল্পা শেঠি, প্রীতি জিনতা, কার্তিক আরিয়ান এবং সুনীল শেঠিসহ বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী অনুমতি ছাড়া তাদের পরিচয় ও অবয়ব ব্যবহার করে তৈরি কনটেন্টের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এর আগে ডিপফেক প্রযুক্তির শিকার হন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি এ ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহারের তীব্র নিন্দা জানান।

বিজ্ঞাপন

রাশমিকা বলেন, প্রযুক্তি মানুষের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য হলেও তা যদি মানুষকে হেনস্তা ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয়, তবে সেটি উদ্বেগজনক।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরবর্তীতে তার নামে ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে ভারতীয় পুলিশ।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতে আইনগত ব্যবস্থা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর কার্যকর নজরদারি জরুরি। অন্যথায় ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করা, বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং সাইবার অপরাধের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD