মৃত্যুর আগে শেষ ভাষণে যা বলেছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। রোববার (১ মার্চ) আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি ও ফার্স নিউজ এজেন্সি তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে। এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে নিজ কার্যালয়ে হামলার শিকার হন ৩৭ বছর ধরে দেশ শাসন করা এই নেতা।
বিজ্ঞাপন
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানায়, ভোরের ওই হামলায় তাকে লক্ষ্য করেই আঘাত হানা হয়।
মৃত্যুর ১১ দিন আগে শেষবারের মতো জনসমক্ষে ভাষণ দেন খামেনি। সে ভাষণে তিনি প্রতিরোধ সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা অস্ত্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ওই সময় জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেছিলেন, কোনো দেশের কাছে প্রতিরোধমূলক অস্ত্র না থাকলে তা শত্রুর চাপে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হয়। তার ভাষায়, প্রতিরোধক অস্ত্র দেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র অকারণে হস্তক্ষেপ করছে এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে সীমা নির্ধারণের কথা বলছে—যা তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।
সেদিন যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর বার্তাও দেন খামেনি। তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীও কখনো কখনো এমন আঘাত পেতে পারে, যার পর আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয় না।
এদিকে হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিকেও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ খামেনির মৃত্যুর দাবি করেন।
বিজ্ঞাপন
এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তৎপরতা ও উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি, ফার্স নিউজ এজেন্সি








