নেতানিয়াহুর মৃত্যুর খবর: যা বলছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিহত বা আহত হয়েছেন—এমন খবর সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের একটি আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর এ জল্পনা আরও বাড়ে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এ ধরনের খবরকে যুদ্ধকালীন ‘অপপ্রচার’ বা ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ হিসেবে নাকচ করেছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর ওপর সরাসরি হামলা বা তার আহত হওয়ার কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি। বরং কিছু পরিস্থিতিগত বিষয় তুলে ধরে সন্দেহ তৈরির চেষ্টা করা হয়। এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর নতুন কোনো ভিডিও প্রকাশ না হওয়া, তার বাসভবনের নিরাপত্তা বাড়ানোর খবর, মার্কিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্ভাব্য সফর স্থগিত হওয়া এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার এক ফোনালাপে নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না থাকার বিষয় উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও একটি দাবি তুলে ধরা হয়, যেখানে এক সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়—ইরান নাকি নেতানিয়াহুর গোপন অবস্থানে হামলা চালিয়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে স্বীকার করা হয়েছে, এই দাবির পক্ষে কোনো সরকারি নিশ্চিত তথ্য নেই।
বিজ্ঞাপন
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে খণ্ডিত তথ্য জোড়া লাগিয়ে নাটকীয় বর্ণনা তৈরি করে গুজব ছড়ানোর ঘটনা নতুন নয়।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে, ৭ মার্চ নেতানিয়াহু একটি সরকারি বিবৃতি দিয়েছেন। এর এক দিন আগে, ৬ মার্চ তিনি দক্ষিণ ইসরায়েলের বীরশেবা শহরে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি স্থাপনা পরিদর্শন করেন।
চলমান ইরান–ইসরায়েল উত্তেজনার মধ্যেও অতীতে নেতানিয়াহুকে ঘিরে এমন গুজব ছড়ানোর নজির রয়েছে। সেসব ক্ষেত্রেও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ খবরগুলোকে ভুয়া বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত পরিবর্তনশীল যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন ভিডিও বা তথ্য সাময়িকভাবে প্রকাশ না পেলে সহজেই গুজব ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিরাপত্তাজনিত কারণেই প্রধানমন্ত্রীর কিছু কর্মকাণ্ড গোপন রাখা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট








