Logo

মোজতবা খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের তথ্য দিলে ১ কোটি ডলার পুরস্কার

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ মার্চ, ২০২৬, ১৪:৫৩
মোজতবা খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের তথ্য দিলে ১ কোটি ডলার পুরস্কার
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সম্পর্কে তথ্য প্রদানের বিনিময়ে সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারের ঘোষণা করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে এই পদক্ষেপের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ পুরস্কার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে যুক্ত ১০ জন শীর্ষ কর্মকর্তার উপর প্রযোজ্য হবে।

বিজ্ঞাপন

১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের পর গঠিত আইআরজিসি সর্বোচ্চ নেতার প্রতি আনুগত্য রক্ষা করে এবং শিয়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত। খবর রয়টার্স।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলার পর আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হন। তারপরে মোজতবা খামেনি তার বাবার স্থলাভিষিক্ত হন। সম্প্রতি তিনিও হামলার সময় আহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

মোজতবা খামেনি ছাড়াও মার্কিন পুরস্কারের তালিকায় রয়েছে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি, গোয়েন্দা বিষয়ক মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি এবং খামেনির অফিসের দুই কর্মকর্তা।

শুক্রবার রয়টার্সের একটি যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা গেছে, লারিজানি তেহরানে এক সমাবেশে দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ উল্লেখ করেছেন, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব বর্তমানে ‘গোপনে’ আছে।

ওয়েবসাইটে আইআরজিসি কমান্ডার এবং প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিবসহ আরও চারজন কর্মকর্তার তালিকাও রয়েছে, তবে তাদের নাম বা ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এসব ব্যক্তি আইআরজিসির বিভিন্ন কার্যক্রমের নির্দেশনা দেয়, যারা বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদের পরিকল্পনা, সংগঠিত এবং বাস্তবায়ন করে।

যুক্তরাষ্ট্র আইআরজিসিকে একটি বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনোনীত করেছে। অভিযোগ আনা হয়েছে যে, মার্কিন নাগরিকদের হত্যার জন্য এই সংগঠন দায়ী। ওয়াশিংটন ২০২০ সালে ইরানি সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রের জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করেছে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, ইরান এই ধরনের সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ সবসময় অস্বীকার করে আসছে। ইরানি কর্মকর্তারা মার্কিন অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক হামলা হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং যুক্তি দিয়েছেন, ওয়াশিংটন এসব দাবি চাপ প্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞার বৈধতা প্রমাণ করার জন্য তৈরি করছে।

তবে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকতার সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তেহরান। ইরানি কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে মার্কিন সন্ত্রাসবাদের অভিযোগকে ভিত্তিহীন রাজনৈতিক আক্রমণ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন চাপ প্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞার ন্যায্যতা প্রমাণ করার জন্য এ ধরনের দাবি উত্থাপন করে আসছে।

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD