Logo

৩০০ কোটি রুপির অবৈধ সম্পদ অর্জন, পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৭ জুলাই, ২০২৬, ১৭:৫৭
৩০০ কোটি রুপির অবৈধ সম্পদ অর্জন, পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে প্রায় ৩০০ কোটি রুপির অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্যের দুর্নীতি দমন ব্যুরো (এসিবি)। গ্রেপ্তার হওয়া কর্মকর্তা ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) সংকিরেড্ডি ভীম রেড্ডি, যিনি হায়দরাবাদের পুলিশ কম্পিউটার সার্ভিসেসে (পিসিএস) কর্মরত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় হায়দরাবাদের ইব্রাহিমবাগ এলাকার ভেসেলা মেডোজে অবস্থিত নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে এসিবির বিশেষ আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এসিবির অভিযোগ, চাকরি থেকে প্রাপ্ত বৈধ আয়ের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন ভীম রেড্ডি। দুর্নীতি ও অবৈধ উপায়ে এসব সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ২ জুলাই তেলেঙ্গানা ও কর্ণাটকের বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চালায় এসিবি। ডিএসপির বাসাসহ তার স্বজন, বন্ধু, কথিত বেনামি মালিক এবং সহযোগীদের সংশ্লিষ্ট মোট ১৬টি স্থানে তল্লাশি পরিচালনা করা হয়।

তদন্তে হায়দরাবাদ, সাঙ্গারেড্ডি, বিকারাবাদ, তেল্লাপুর, গাচিবাউলি, মানিকোন্ডা, পাতানচেরু, নাগোল এবং কর্ণাটকের বিভিন্ন এলাকায় তার নামে বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিলাসবহুল ভিলা, একাধিক ফ্ল্যাট, বাণিজ্যিক ভবনে অংশীদারত্ব, খোলা প্লট, কৃষিজমি ও বিভিন্ন বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩০০ কোটি রুপি বলে ধারণা করছে তদন্ত সংস্থা।

তল্লাশির সময় তার বাসা থেকে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার রুপি নগদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এক কথিত বেনামি সহযোগীর বাড়ি থেকে আরও প্রায় ৪০ লাখ রুপি জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে প্রায় ২ কেজি স্বর্ণালংকার, ২০ কেজি রুপার সামগ্রী এবং প্রায় ১৯ লাখ ৯১ হাজার রুপির ব্যাংক আমানতের তথ্যও উদ্ধার হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তদন্তে নতুন মোড় আসে একটি হাতে লেখা ব্যক্তিগত ডায়েরি উদ্ধারের পর। এসিবির দাবি, চারধাম তীর্থযাত্রায় যাওয়ার আগে ভীম রেড্ডি ওই ডায়েরিতে নিজের সম্পদ, বিনিয়োগ, দায়-দেনা এবং কথিত বেনামি ব্যক্তিদের নাম লিখে রেখেছিলেন। পরে সেই ডায়েরির স্ক্যান কপি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তার দুই ছেলের কাছে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, ডায়েরিটি মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে একাধিক সম্পত্তি ও আর্থিক লেনদেনের সূত্র মিলেছে। এসিবি জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া সম্পদ ও অর্থের উৎস যাচাইয়ের কাজ চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD