যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন আরও কঠিন!

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। নতুন এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশটিতে একটি সাধারণ স্টার্টার হোম কিনতে একটি পরিবারের বছরে গড়ে প্রায় ৭৮ হাজার ডলার আয় প্রয়োজন। ২০১৯ সালের তুলনায় এই প্রয়োজনীয় আয় ৮০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
বিজ্ঞাপন
রিয়েলটর ডটকমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাড়ির ক্রমবর্ধমান মূল্য, মর্টগেজ ঋণের উচ্চ সুদের হার এবং তুলনামূলক কম দামের বাড়ির স্বল্পতা—এই তিনটি বিষয় প্রথমবারের ক্রেতাদের জন্য বড় বাধা তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রিয়েলটর ডটকমের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ হান্না জোন্সের মতে, প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহী মানুষের অভাব নেই। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে অনেকের জন্য সেই আগ্রহ বাস্তবে বাড়ি কেনার সক্ষমতায় রূপ নিচ্ছে না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে নতুন আবাসন নির্মাণ বেড়েছে। এর ফলে এসব অঞ্চলে তুলনামূলক সাশ্রয়ী স্টার্টার হোমের সরবরাহ কিছুটা বাড়ছে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনেক এলাকায় এখনো কম দামের বাড়ির সংকট রয়েছে।
এর সঙ্গে বাড়ির দাম বাড়তে থাকায় নতুন ক্রেতাদের আর্থিক চাপও বাড়ছে। বাজারে আবাসনের সরবরাহ কিছুটা উন্নত হলেও উচ্চ মর্টগেজ সুদের কারণে অনেক পরিবার কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা হারাচ্ছে। ফলে বহু মানুষ বাড়ি কেনার পরিকল্পনা স্থগিত বা পিছিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতি, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং মর্টগেজ সুদের হার বৃদ্ধির প্রভাব একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে পড়েছে। এর সবচেয়ে বড় চাপ পড়ছে মধ্যবিত্ত পরিবার এবং প্রথমবার বাড়ি কিনতে যাওয়া মানুষের ওপর।
বিজ্ঞাপন
ফলে নতুন বাড়ির সরবরাহ বাড়ার কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও উচ্চ মূল্য ও ঋণের ব্যয় কম না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের ক্রেতাদের জন্য আবাসন বাজারে প্রবেশ করা কঠিনই থেকে যেতে পারে।








