দুই হামলায় রক্তাক্ত দক্ষিণ আফ্রিকা, নিহত অন্তত ২৭

দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক দুটি বন্দুক হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। জোহানেসবার্গের পশ্চিমাঞ্চলের একটি পানশালা এবং কেপটাউনের কাছের একটি বিনোদনকেন্দ্রে এসব হামলা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
বিজ্ঞাপন
রবিবার দেশটির পুলিশ পৃথক দুই ঘটনায় প্রাণহানির তথ্য জানিয়েছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর প্রকাশ করেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জোহানেসবার্গের পশ্চিমাঞ্চলের একটি বারে প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে। তখন পানশালার ভেতরে ও বাইরে বেশ কয়েকজন গ্রাহক অবস্থান করছিলেন। এ সময় বন্দুকধারীরা সেখানে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা পুলিশ সার্ভিস (এসএপিএস) জানিয়েছে, বাইরে গুলি চালানোর পর হামলাকারীরা পানশালার ভেতরেও প্রবেশ করে। সেখানে থাকা গ্রাহকদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। হামলাকারীদের হাতে একে-৪৭ রাইফেল ও পিস্তল ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পুলিশের বিবৃতি অনুযায়ী, হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার আগে কয়েকজন গ্রাহকের মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। দুটি অজ্ঞাত গাড়িতে করে ঘটনাস্থল ছাড়ার সময় তারা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
জোহানেসবার্গের ওই ঘটনায় ১৩ জন পুরুষ ও চারজন নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। হামলার পর হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিশেষায়িত একটি দলও অভিযানে যুক্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
অন্যদিকে, কেপটাউনের কাছের লোয়ান্ডলে এলাকায় রবিবার গভীর রাতে দ্বিতীয় বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি বিনোদনকেন্দ্রে ঢুকে বন্দুকধারীরা সেখানে থাকা লোকজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
বিজ্ঞাপন
পুলিশ জানায়, রাত ১টা ৪৬ মিনিটে এই হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দ্বিতীয় হামলার ঘটনায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেছে পুলিশ। হামলার পেছনে কারা ছিল এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের অবহিত করার পর তাদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুটি পৃথক হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।








