ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কিংবা প্রয়োজনে এককভাবে ইরানে নতুন সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। সোমবার (৫ অক্টোবর) ইসরায়েলি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলি সংবাদপত্র ইসরায়েল হায়োমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির সামরিক বাহিনী। পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা ও সামরিক সহযোগিতাও অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান হামলা চালালে তার জবাব দেওয়া এবং প্রয়োজনে আগাম হামলার সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়েও প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। তবে নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর সম্ভাবনা তুলনামূলক কম বলে মূল্যায়ন করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইসরায়েলের জন্য এখনো বড় উদ্বেগের কারণ বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে রোববার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লা জানিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা বিবেচনায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েলে আরও মার্কিন সেনা ও সামরিক বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ওয়াল্লা জানায়, বর্তমানে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তাদের মধ্যে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় দায়িত্ব পালনকারী সেনা, পাইলট, সহায়ক কর্মী ও লজিস্টিকস সদস্যরা রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদারের অংশ হিসেবে আগামী কয়েক সপ্তাহে ইসরায়েলে আরও মার্কিন সেনা ও সামরিক বিমান পৌঁছাতে পারে।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাত কিংবা আঞ্চলিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে বলেও জানিয়েছে ওয়াল্লা। একই সঙ্গে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ও বজায় রাখা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে এসব প্রতিবেদন সামনে এলো, যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রোববার বলেছেন, তেহরান ন্যায্য সমাধানে পৌঁছাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
বিজ্ঞাপন
সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সাতটি শর্ত উপস্থাপন করেছিল ইরান। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ইরানের দেওয়া শর্তগুলো মেনে নেয়নি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি








