বিজেপি জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে: রাহুল গান্ধী

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ আরও তীব্র হয়েছে। এবার বিজেপির বিরুদ্ধে জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (১ নভেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটের আয়োজিত সমাবেশ ও মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় একটি ভিডিও প্রকাশ করেন রাহুল। সেখানে তিনি দাবি করেন, বিজেপির নির্দেশে দিল্লির কনট প্লেস এলাকার সব দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে সমাবেশে আসা মানুষজন কেনাকাটা করতে পারছেন না এবং ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
ভিডিওতে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমরা সবাইকে বলেছিলাম, মিছিল ও বিশাল সমাবেশে আসার সময় যেন কেনাকাটা করেন, কিছু জিনিসপত্র কেনেন। কিন্তু এখানে কনট প্লেসে আসার পথে আমরা জানতে পারি, বিজেপি জোর করে প্রতিটি দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। তাই ব্যবসায়ীদের কারা ক্ষতি করছে এবং কীভাবে করছে, তা আপনাদের জানা উচিত।’
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এর আগে উৎসবের মৌসুমে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে দায়ী করেছিল বিজেপি। দলটির নেতাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা ধনতেরাস, দীপাবলি ও ছট পূজার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফুটপাতের বিক্রেতা ও দোকানিরা বছরের আয়ের বড় একটি অংশ উৎসবের মৌসুমে উপার্জন করেন। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রাজনৈতিক সমাবেশ আয়োজনের কারণে তাঁদের ব্যবসায় ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাড্ডার দাবি, চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিটিআই) পক্ষ থেকে রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে উৎসবের সময় দিল্লিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশ আয়োজন না করার অনুরোধ জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
বিজেপি নেতার আরও দাবি, আগের প্রতিবাদ কর্মসূচির কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীদের প্রায় ৩ হাজার কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে। সর্বশেষ সমাবেশের কারণে ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এভাবে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষয়ক্ষতিকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।








