ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের কাজ পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকার আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনে চলমান রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণকাজ এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তিনি সরেজমিনে দুটি প্রকল্পের কাজ ঘুরে দেখেন। এ সময় সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সেতু বিভাগ জানায়, বিআরটি প্রকল্পের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে শেষ হলেও সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (আরডিপিপি) একনেকে অনুমোদন না পাওয়ায় এবং ঠিকাদার না থাকায় আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। জনদুর্ভোগ কমাতে প্রকল্পটির অ্যাট-গ্রেড অংশের আবদুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গী ইউ-টার্নের রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণকাজ আলাদা করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত ঠিকাদারের সঙ্গে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ চুক্তি স্বাক্ষর এবং ১ মার্চ কার্যাদেশ দেওয়া হয়। পরে ২১ এপ্রিল থেকে পেভমেন্ট কোয়ালিটি কংক্রিট (PQC) ব্যবহার করে রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণকাজ শুরু হয়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সদ্য নির্মিত প্রায় ৪৫০ মিটার রিজিড পেভমেন্ট সড়কের কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মানে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নির্মাণের মান অক্ষুণ্ন রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন।
এ সময় তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমানোর বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। নির্মাণকাজের কারণে সড়কের একপাশ বন্ধ রাখতে হলে বিকল্প পাশটি যেন তাৎক্ষণিকভাবে যান চলাচলের উপযোগী রাখা হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, নির্মাণকাজে কোনোভাবেই গুণগত মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না। মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে হবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শন শেষে সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, দেশের যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নত মান বজায় রেখে প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ করতে সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। একই সঙ্গে জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্মসচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএমসির (CMC) প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।








