Logo

রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর আজ : এখনও বদলায়নি রোহিঙ্গাদের জীবন

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজার
২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১৩:৫০
রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর আজ : এখনও বদলায়নি রোহিঙ্গাদের জীবন
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের নয় বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে নৃশংসতা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু করেন রোহিঙ্গারা। এরপর কেটে গেছে দীর্ঘ নয় বছর। প্রতিবছরই প্রত্যাবাসনের আশ্বাস ও পরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও এখনো নিজ দেশে ফেরার নিশ্চয়তা পাননি তারা।

বিজ্ঞাপন

মিয়ানমারে চলমান সংঘাত, রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতি, রোহিঙ্গাদের পরিচয় ও নাগরিকত্বের প্রশ্ন এবং দীর্ঘস্থায়ী শরণার্থী সংকটের কারণে প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। দীর্ঘদিন ক্যাম্পে অবস্থানের কারণে বিভিন্ন অপরাধ ও সংঘাতের ঘটনাও বাড়ছে, যার প্রভাব স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপরও পড়ছে।

গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কয়েকটি ক্যাম্পে রোহিঙ্গারা জড়ো হয়ে নির্যাতনের স্মৃতি স্মরণ করবেন। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি জানাবেন এবং জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরবেন।

প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার বরাদ্দও কমছে। অন্যদিকে, মিয়ানমার ৩ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গাকে তাদের বাসিন্দা হিসেবে স্বীকার করেছে এবং এক লাখকে ‘বাঙালি’ ও অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করেছে। শরণার্থী বিষয়ক কর্মকর্তারা বলছেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আগের মতো মনোযোগ নেই। সরকার নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য কাজ করছে এবং সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

শরণার্থী বিশেষজ্ঞ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রাহমান নাসির উদ্দিন বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন হলেও শুধু ঘোষণা বা কূটনৈতিক আলোচনায় তা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট কৌশলগত পরিকল্পনা, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সম্পৃক্ততা এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মর্যাদার নিশ্চয়তা।

রোহিঙ্গা অধিকারকর্মী সৈয়দ উল্লাহ বলেন, প্রত্যাবাসনের জন্য নির্দিষ্ট ধাপ ও কাজ রয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়নে একটি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রয়োজন। শুধু ঘোষণায় প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়। ২০১৮ সাল থেকে প্রত্যাবাসন শুরুর কথা শোনা গেলেও এখন পর্যন্ত তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এখন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাদেশের জাতীয় নীতি, বৈশ্বিক নীতির পরিবর্তন এবং মিয়ানমারের অবস্থান—সবকিছু বিবেচনায় রাখা জরুরি। রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়; এটি মিয়ানমার, বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও সমস্যা। রোহিঙ্গাদের রাজনৈতিক স্বার্থের অংশ হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

রোহিঙ্গা যুবনেতা মুজিবুর রহমান বলেন, এই সংকট বাংলাদেশের একার নয়, এটি আন্তর্জাতিক ও বৈশ্বিক সমস্যা। রাখাইন বা আরাকানের বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় না নিয়ে প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনা করা সম্ভব নয়। তার দাবি, আরাকানের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা বর্তমানে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে চীন ও ভারতের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমঝোতা ও পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

উন্নয়নকর্মী ফারিহা হোসাইন বলেন, নয় বছর ধরে চলা সংকটকে শুধু জরুরি মানবিক সহায়তার দৃষ্টিতে দেখলে হবে না। রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা বলেন, প্রত্যাবাসন মানে শুধু সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া নয়; তাদের মর্যাদার সঙ্গে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাব বহনকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বার্থও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

শরণার্থী সংকটের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসন, স্থানীয়ভাবে একীভূত হওয়া এবং তৃতীয় দেশে পুনর্বাসনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে একীভূত হওয়ার সুযোগ সীমিত হওয়ায় প্রত্যাবাসনের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে তৃতীয় দেশে পুনর্বাসনের সুযোগ চালু রাখার পরামর্শও এসেছে।

বিজ্ঞাপন

কুতুপালং এলাকার জনপ্রতিনিধি প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী পাশাপাশি বসবাস করলেও নানা কারণে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে চাপ ও দূরত্ব তৈরি হয়েছে। রোহিঙ্গাদের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর সংঘাতও পরিস্থিতিকে জটিল করছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রোহিঙ্গাদের নিজেদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার কক্সবাজার সাব-অফিসের প্রধান মার্সেল কলুন সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরার আকাঙ্ক্ষা থাকলেও কীভাবে প্রত্যাবাসন বাস্তবায়ন হবে, তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এখনো নেই। তার মতে, প্রত্যাবাসনের আগে মিয়ানমারের সংঘাত বন্ধ হওয়া, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা, নিজ ভূমিতে ফেরার সুযোগ, জমি-বাড়ির অধিকার এবং নাগরিকত্ব বা মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার নাজমুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, দীর্ঘস্থায়ী এ সংকট সমাধানে প্রশাসন, গবেষক, রোহিঙ্গা প্রতিনিধি, উন্নয়ন সংস্থা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বিত আলোচনা প্রয়োজন। আলোচনার ভিত্তিতে সুস্পষ্ট সুপারিশ তৈরি করে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

কক্সবাজার উন্নয়ন আন্দোলনের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ রুবেল বলেন, প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, দক্ষতা অর্জন ও জীবিকার সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ক্যাম্পে বসবাসকারী একটি প্রজন্মকে শুধু ত্রাণনির্ভর করে রাখলে তাদের ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে।

রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, সংকটের টেকসই সমাধান প্রত্যাবাসন। তবে নয় বছর পর শুধু ‘প্রত্যাবাসন হবে’—এমন ঘোষণা যথেষ্ট নয়। বাস্তবতা বিবেচনায় সুস্পষ্ট কৌশল, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমর্থন এবং নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের নিশ্চয়তা প্রয়োজন।

প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ বারবার থেমেছে

বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমারের তৎকালীন সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও সই হয়। পরবর্তী সময়ে রোহিঙ্গাদের পরিচয় নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চললেও ২০১৯ সালে দুই দফায় প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ ব্যর্থ হয়। রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখতে পারেননি।

এরপর করোনাভাইরাস মহামারির কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায়। এর মধ্যেই ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করে। এরপর মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে প্রত্যাবাসন ইস্যু আরও পিছিয়ে পড়ে।

সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখলের আগে চীনের নেতৃত্বে প্রত্যাবাসন নিয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছিল। তবে তার চূড়ান্ত ফল পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ আশা করেছিল, ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধে প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে। সেই পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হয়নি।

বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে বাংলাদেশ বারবার বলে আসছে, মিয়ানমারের ওপর প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক চাপ যথেষ্ট নয়। বর্তমানে মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধের কারণে প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা কার্যত থমকে আছে। বরং রাখাইনে সংঘাতের কারণে ২০২৪ সালের পর নতুন করে দেড় লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

এদিকে মিয়ানমারের সামরিক জান্তার প্রধান মিন অং হ্লাইং নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন এবং আসিয়ানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে চীন। একই সঙ্গে মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলার প্রস্তাবও দিয়েছে দেশটি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক সাহাব এনাম খান মনে করেন, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে মিয়ানমার সরকারের আচরণে কিছু পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। বর্তমান গতিতে পরিস্থিতি এগোলে আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করেন তিনি।

তবে তিনি মনে করেন, শুধু কূটনৈতিক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। প্রত্যাবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি, রাজনৈতিক যোগাযোগ, অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোতেও অগ্রগতি দরকার। তার মতে, শতভাগ প্রত্যাবাসন দ্রুত সম্ভব না হলেও ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া শুরু করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন

তার বিশ্লেষণে, মিয়ানমার ও রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং মানবিক সহায়তায় সংকটসহ বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক ও ভূ-কৌশলগত কারণে প্রত্যাবাসন আটকে আছে। বর্তমান সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সাহাব এনাম খান আরও বলেন, প্রত্যাবাসনের কৌশল নির্ধারণে শুধু প্রচলিত কূটনৈতিক বা রাজনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সরকার ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে শুধু রাখাইনের স্থিতিশীলতা নয়, পুরো মিয়ানমারের স্থিতিশীলতাকেও বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হত্যা ও নির্যাতনের মুখে সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বনভূমিতে আশ্রয় নেন। আগে থেকে কক্সবাজারে থাকা প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা এবং পরবর্তী সময়ে নতুন করে আসা আরও দেড় লাখসহ বর্তমানে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা ৩৩টি ক্যাম্পে বসবাস করছেন। নিজ দেশে নিরাপদে ফেরার নিশ্চয়তার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD