হাঁস প্রতীক পেয়ে আবেগঘন বার্তা দিলেন রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামা ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে তার পছন্দের ‘হাঁস’ প্রতীক। প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটার ও সমর্থকদের প্রতি ভালোবাসা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে আবেগঘন বক্তব্য দেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ সময় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার কাঙ্ক্ষিত হাঁস প্রতীকটি পান।
প্রতীক হাতে পাওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, তার ভোটার ও কর্মী-সমর্থকরাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি আমার ভোটারদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারাই আমাকে আজ এই অবস্থানে নিয়ে এসেছেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, এলাকায় গেলে ছোট ছোট শিশুরাও তাকে দেখে ‘আমাদের হাঁস মার্কা’ বলে চিৎকার করে ওঠে। তার ভাষায়, হাঁস প্রতীক শুধু তার ব্যক্তিগত প্রতীক নয়, এটি সাধারণ ভোটারদের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
নিজের জীবনের একটি ঘটনা তুলে ধরে রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি একসময় হাঁস পালন করতেন। সেই হাঁস চুরি হলে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে পিছপা হননি। আমার হাঁস প্রতীক কেউ চুরি করার চেষ্টা করলে, তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবেই তিনি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। ভোটাররা যদি তাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে জনগণের মতামত ও চাহিদার ভিত্তিতেই এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর মোট ১৩ জন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে জেলায় চূড়ান্তভাবে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে। এদের মধ্যে দলীয় প্রার্থীরা নিজ নিজ দলীয় প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক পেয়েছেন।








