১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচিতে পুলিশি বাধায় ‘ধাক্কাধাক্কি’

রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে কর্মসূচি শেষ করে সচিবালয় অভিমুখে পদযাত্রা করা জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা পুলিশি বাধার মুখে পড়ার পর সচিবালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে কিছুক্ষণ ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আন্দোলনকারীরা সেখানেই সংক্ষিপ্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা রাজধানীর মুক্তাঙ্গন থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন।
পদযাত্রাকালে নেতাকর্মীরা জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ সমস্যা এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পুরো মিছিলজুড়ে সরকারবিরোধী নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সচিবালয়ের সামনে পৌঁছানোর পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিলের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ সামনে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু সময় ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে নেতাকর্মীরা ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নেন।
বিজ্ঞাপন
প্রায় ২০ মিনিট অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে বক্তব্য দেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জনগণের দাবি সরকারের কাছে পৌঁছে দিতেই তারা সচিবালয়ের সামনে এসেছেন। তবে সরকারের কোনো প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে দেখা করতে আসেননি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, সচিবালয় থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে খুব অল্প সময় লাগার কথা, কিন্তু সরকারের দায়িত্বশীল কেউ উপস্থিত হননি। জনগণের দাবির প্রতি এমন আচরণকে তিনি হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
পরে তিনি আরও পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করার ঘোষণা দেন। এই সময়ের মধ্যেও সরকারের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না হলে সরকারের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত করার কথা জানান।
বিজ্ঞাপন
১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের দাবি, জ্বালানি তেল ও গ্যাস সংকট নিরসন, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল প্রত্যাহার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এসব দাবির সমর্থনেই তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।
অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচিবালয় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুরো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।








