যৌন হয়রানি তদন্ত প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ জাহানারা আলমের

নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের করা যৌন হয়রানির অভিযোগের পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলেও তাতে সন্তুষ্ট নন তিনি। জাহানারার পক্ষে নিযুক্ত আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মাহবুব অ্যান্ড কোম্পানি এক বিবৃতিতে এই অসন্তোষের কথা জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযোগকারী হিসেবে তদন্তের ফলাফল জানার পূর্ণ অধিকার থাকলেও বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে জাহানারা আলমকে কিছুই অবহিত করেনি। এমনকি তদন্ত প্রতিবেদনের কোনো কপিও তাকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আইনি পরামর্শকদের দাবি, বিসিবির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে জাহানারার উত্থাপিত চারটি অভিযোগের মধ্যে দুটি প্রমাণিত হয়েছে। তবে কোন দুটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং কী ধরনের তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে—এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
বিজ্ঞাপন
বিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি জাহানারার অভিযোগের প্রেক্ষিতে নয়, বরং বোর্ডের নিজস্ব উদ্যোগে গঠিত। এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে জাহানারার পক্ষ জানায়, কমিটিটি মূলত তার দাখিল করা যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তদন্তের উদ্দেশ্যেই গঠন করা হয়েছিল।
গত বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, জাহানারা আলমের উত্থাপিত কয়েকটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
জাহানারা আলম চারটি নির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছিলেন। তদন্ত কমিটি এর মধ্যে দুটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে, যা দুটিই সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। প্রতিবেদনে বলা হয়, তার কিছু আচরণ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ ও ‘হয়রানি’র আওতায় পড়ে।
তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বোর্ডের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিসিবি।








