প্রত্যেক নাগরিক বছরে একটি গাছ রোপণ করবেন: আবু আশফাক

পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রত্যেক নাগরিককে বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণ ও পরিচর্যার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২১ জুন) দোহার উপজেলা জুড়ে দেশব্যাপী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ ও পাঁচটি সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
নিকড়া-টিকরপুর পদ্মা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য আবু আশফাক বলেন, বৃক্ষরোপণ শুধু আমাদের দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের দায়। রাজধানীসহ ঢাকার আশপাশের উপজেলাগুলোকে আরও বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব করতে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, অনেক সময় বৃক্ষরোপণকে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু প্রত্যেক নাগরিক যদি বছরে অন্তত একটি গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেন, তাহলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিজ্ঞাপন
এ সময় বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।
পরে সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক নিকড়া-টিকরপুর পদ্মা বাইপাস সড়কের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এছাড়া দোহার পৌরসভার বানাঘাটা জাহিদ কমিশনারের বাড়ির রাস্তা, নারিশা ইউনিয়নের ঝনকি রানী বিল্ডিং সংলগ্ন রাস্তা ও পশ্চিম চর রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন তিনি।
সর্বশেষ লটাখোলা সিপিডিএন, কার্তিকপুর ও চরকুশাই এলাকায় ঢাকা প্রজেক্টের রাস্তার কাজের উদ্বোধন করা হয়।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. মাঈদুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসফিক সিবগাত উল্লাহ, দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক, সাবেক জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সালাউদ্দিন মোল্লা, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি এস এম কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ, ঢাকা জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হাসেম বেপারীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।








