দোহারে প্রশাসনের অভিযানে অবৈধ জাল জব্দ ও আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

ঢাকার দোহারে দেশীয় প্রজাতির মাছ ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় দুটি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল তৈরির কারখানায় উপজেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ২৮০ পিস নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ শেষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জয়পাড়া লটাখোলা বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিজ্ঞাপন
অভিযানের নেতৃত্ব দেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাঈদুল ইসলাম। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দোহার উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা মুন্নী ও তাঁর টিম।
অভিযান পরিচালনাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ও সার্বিক সহযোগিতায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে বাংলাদেশ নৌ-পুলিশের কুতুবপুর ফাঁড়ির একটি দল।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ লটাখোলা বাজারের দুটি অবৈধ জাল তৈরির কারখানায় এই আকস্মিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী ২৮০ পিস ক্ষতিকর চায়না দুয়ারী জাল জব্দের পর তা প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় অপরাধের সাথে জড়িত একজনকে আটক করা হলেও ভবিষ্যতে এই ধরণের অবৈধ কাজের সাথে যুক্ত না থাকার শর্তে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অভিযান চলাকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ,সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার সাধারণ মানুষ উপস্থিত থেকে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।
এ বিষয়ে প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো.মাঈদুল ইসলাম বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও অবাধ বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং মৎস্য সম্পদের টেকসই সংরক্ষণে দোহার উপজেলার সর্বত্র এই ধরণের কঠোর অভিযান ও মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে। অবৈধ জালের ব্যবহার ও উৎপাদন বন্ধে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য গত ১৬ আগষ্ট জাতীয় মৎস্য দিবসে উপজেলার হ্রদ-লাহরী অডিটোরিয়ামে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন ঢাকা-১(দোহার ও নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক। এ সময়ে প্রকৃত জেলেগন সাংসদ খন্দকার আবু আশফাকের কাছে চায়না দুয়ারী জালের বিস্তার থেকে রক্ষা পেতে জোর দাবী জানান।তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দোহার, ঢাকা।








