চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া আন্তনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্যান্টিনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহারের পর তাদের পাকশি রেলওয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তও শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দীন। তিনি জানান, ঘটনার সময় কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনে দায়িত্বে থাকা চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পাকশি রেলওয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অধিকতর তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, সোমবার সকালে নাটোর এলাকায় চলন্ত কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্যান্টিনে ৪৪ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ট্রেনের ক্যান্টিনবয় আবু বক্কর সিদ্দিককে (২২) গ্রেপ্তার করেছে সান্তাহার রেলওয়ে থানা-পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তার আবু বক্কর সিদ্দিক নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর গ্রামের মৃত মাসুদ রানার ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তদের বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই নারী সোমবার সকালে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের উদ্দেশে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, চলন্ত ট্রেনের ক্যান্টিনে নিয়ে গিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিকসহ কয়েকজন তাকে ধর্ষণ করেন।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে ট্রেনের অন্য যাত্রীরা এগিয়ে আসেন। পরে তারা আবু বক্কর সিদ্দিককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। মামলায় মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যের নামও রয়েছে বলে জানা গেছে।
ওসি দুলাল উদ্দীন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মামলার পর আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততার বিষয়েও তদন্ত চলছে।








