Logo

কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ ফিরবে আজ বা কাল

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২১ আগস্ট, ২০২৬, ১৭:১৮
কলকাতার অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ ফিরবে আজ বা কাল
ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ শুক্রবার অথবা শনিবারের মধ্যে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ খালেদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে পাঠানো হবে। তারা হলেন—কুষ্টিয়ার মোহিনী মিল এলাকার বাসিন্দা ও সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবু।

মরদেহগুলো দ্রুত দেশে পাঠাতে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তবে প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব না হলে শুক্রবারের পরিবর্তে শনিবার মরদেহ দেশে পাঠানো হতে পারে।

এদিকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার মরদেহ কলকাতাতেই সৎকারের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মোহাম্মদ খালেদ বলেন, রেবতী সরকারের ছেলে তার মায়ের মরদেহ কলকাতায় সৎকারের ইচ্ছা জানিয়েছেন। বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে এবং এর জন্য পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন। বিষয়টি ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও জানানো হবে। এরপর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার রাতে কলকাতার নিউমার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ আগুনে সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একজন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় দুই ভারতীয় নাগরিকও নিহত হন। তারা হলেন ঝাড়খণ্ডের সন্দীপ পাশওয়ান ও শিলিগুড়ির যোগ নারায়ণ আগরওয়াল। বৃহস্পতিবার তাদের মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রেবতী সরকারের ছেলে অনিক সরকার জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর নিউমার্কেট থানা থেকে তার মায়ের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর কলকাতাতেই সৎকার করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর নিউমার্কেট এলাকার আরও ১৭টি হোটেলকে শোকজ নোটিশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের দমকল বিভাগ। ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকায় এসব নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে ৯টি আবাসিক হোটেল ও চারটি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধেও শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে নিউমার্কেট এলাকায় এখন পর্যন্ত ২৬টি হোটেল ও চারটি রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD