Logo

মেজর মোজাফফরের বিচার হবে জেনারেল কোর্ট মার্শালে

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ জুলাই, ২০২৬, ১৮:০৬
মেজর মোজাফফরের বিচার হবে জেনারেল কোর্ট মার্শালে
ছবি: সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিচার সেনা আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২০ জুলাই) পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া মেজর (অব.) মোজাফফর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন এবং ভিন্ন পরিচয়ে প্রতিবেশী একটি দেশে অবস্থান করছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তারের পর বিচারের জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই মামলার অন্যান্য অভিযুক্তদের বিচারও সামরিক আদালতে হয়েছে এবং সে সময়ের রায় ও পর্যবেক্ষণ বিবেচনায় নিয়ে জেনারেল কোর্ট মার্শাল তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, সেনা সদস্যদের ক্ষেত্রে সামরিক আইন প্রযোজ্য। একই ঘটনায় একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পৃথক দুটি আইনে বিচার পরিচালনার সুযোগ নেই। তবে যদি কোনো বিষয়ে দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ার থাকে, সে বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ ও ল্যান্ডমাইন শনাক্তকরণ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ল্যান্ডমাইন শনাক্তে প্রয়োজনীয় কিছু যন্ত্রপাতি ইতোমধ্যে বিজিবিকে দেওয়া হয়েছে এবং সদস্যরা তা ব্যবহার করে কাজ করছেন। তিনি জানান, মিয়ানমার সীমান্ত বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সংঘর্ষের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তৎপরতার প্রভাব বাংলাদেশের সীমান্তেও পড়ছে।

ভারত থেকে কথিত ‘পুশ-ইন’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজিবি ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সফল হওয়া গেছে। কিছু অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটলেও তা সংখ্যায় খুব বেশি নয় এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, কোনো দেশের নতুন সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশের মন্তব্য করার সুযোগ নেই। যদি বাংলাদেশি নাগরিক দাবি করে কাউকে ফেরত পাঠানোর বিষয় আসে, তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশের কাছ থেকে তালিকা নিতে হবে। জাতীয় পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত হলে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এর বাইরে কাউকে গ্রহণ করা হবে না।

বিজ্ঞাপন

বিজিবির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ পুরস্কারের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাহসিকতা ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য প্রতিবছরই বিজিবি সদস্যদের পদক দেওয়া হয়। পুশ-ইন প্রতিরোধে বিশেষ অবদানের জন্য পদকের পাশাপাশি অতিরিক্ত কোনো স্বীকৃতি দেওয়া যায় কি না, সে বিষয়ে বিজিবির মহাপরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD